এইমাত্র পাওয়া

‘শরীফ শরীফার’ গল্পে পরিবর্তন নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হবে: অধ্যাপক রশীদ

ঢাকাঃ বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সপ্তম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ের শরীফ থেকে শরীফা গল্প নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত পর্যালচনা কমিটির প্রধান ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুর রশীদ গভীরভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন ।

অধ্যাপক আবদুর রশীদ বলেন, কমিটিতে আমি একা নই। আমাদের আরো সদস্য রয়েছেন। কাজেই গল্পে কতটুকু পরিবর্তন হবে কিংবা কী ধরনের পরিবর্তন হবে সে বিষয়ে এখনই বলা যাচ্ছে না। সবার পরামর্শের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোনো কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন মনে হলে সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। এরপর মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার জেরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পর্যালোচনার জন্য পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে। এতে সদস্য করা হয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর মুফতি মাওলানা কফিল উদ্দীন সরকারকে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামানকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আবদুল হালিমকে এবং ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবদুর রশিদকে।

এদিকে গত মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছিলেন, পাঠ্যবইয়ে হিজড়া জনগোষ্ঠী সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক পাঠ অংশের উপস্থাপনায় কোনো বিতর্ক বা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে এবং বিশেষজ্ঞরা মনে করলে কিছুটা পরিবর্তন আনা যেতে পারে। তবে বইয়ে শব্দটি ‘ট্রান্সজেন্ডার নয়’, ‘থার্ড জেন্ডার’ আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সেটি আইনী স্বীকৃত, যাঁরা জৈবিক (বায়োলজিক্যাল) কারণে তৃতীয় লিঙ্গ বা সামগ্রিকভাবে সমাজে ‘হিজড়া’ নামে পরিচিত।

গত শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ‘বর্তমান কারিকুলামে নতুন পাঠ্যপুস্তক: বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে শরীফ থেকে শরীফা হওয়ার গল্পের অংশটুকু ছিড়ে প্রতিবাদ জানান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিলোসফির খণ্ডকালীন শিক্ষক আসিফ মাহতাব। এই ঘটনায় পরবর্তীতে তাকে চাকরি থেকে অব্যহতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৬/০১/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.