ঢাকাঃ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে অনগ্রসর ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (অতিরিক্ত দায়িত্ব) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২০২৪ অর্থবছরের শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনার দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদন পর্যালোচনা সংক্রান্ত একটি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) ইউজিসিতে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রফেসর আলমগীর বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ-পদোন্নয়নের যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ এবং আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা জোরদার করতে পৃথক নীতিমালা করা হচ্ছে। এসব নীতিমালা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চূড়ান্ত করা হবে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও পদোন্নয়নে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি দূর হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেনশন নিয়ে শঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব আইন দিয়ে পরিচালিত হয় এবং পেনশন নিয়ে এখানে কোন ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে ৬০ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বড় ও পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নেতৃত্ব দিবে এবং নতুন বিশ্ববিদ্যালয়কে পথ দেখাবে। প্রথম সারির এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন অনিয়ম হলে, তদন্ত করা ইউজিসি’র জন্য বিব্রতকর।
ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কমিশনের আইএমসিটি বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া।
ইউজিসির উপসচিব ও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের ফোকাল পয়েন্ট মো. আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় কর্মশালায় ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও নৈতিকতা কমিটির ফোকাল পয়েন্টগণ অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৪/০১/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
