এইমাত্র পাওয়া

রাজশাহী জেলায় ৩৩ শতাংশ বই পায়নি শিক্ষার্থীরা

রাজশাহীঃ জেলার স্কুলগুলোতে শতভাগ বই এখনও পৌঁছায়নি। এক উপজেলায় ১৫ দিনে নবম শ্রেণীর চাহিদার মাত্র ৩৫ ভাগ বই সরবাহর হয়েছে। পুরো জেলাতে অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে বই পৌঁছেছে চাহিদার ৭৭ ভাগ। তবে জেলাজুড়ে বিভিন্ন শ্রেণীর ৩৩ শতাংশ বই এখন বকি রয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্কুল ঘরে এ তথ্য জানা গেছে। যদিও জেলা শিক্ষা অফিস বলছে, বই যা এসেছে তাই বিতরণ করা হয়েছে। আরও বই আসছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে জেলায় মোট বইয়ের চাহিদা ছয় লাখ ৬৪ হাজার ৩৩০। গত ১৫ দিনে চাহিদার বিপরীতে বই পয়েছে ছয় লাখ তিন হাজার ৩০। এখনও পৌঁছায়নি ৯ শতাংশ বই। এরমধ্যে সবচেয়ে কম বই পেয়েছে মতিহার থানা। এ থানায় চাহিদা ছিলো ৮২ হাজার ৫০০। বর্তমানে বই পেয়েছে ৪১ হাজার।

৭ম শ্রেণিতে জেলায় মোট বইয়ের চাহিদা ছয় লাখ ৮৬ হাজার ৬৮০। গত ১৫ দিনে জেলার বই পয়েছে ছয় লাখ ৩৭ হাজার ৯৪৫। এখনও পৌঁছায়নি সাত শতাংশ বই। এরমধ্যে জেলার পুঠিয়া, বাগমারা ও চারঘাট উপজেলায় ২১ শতাংশ বই এখনও আসেনি।

অষ্টম শ্রেণিতে জেলায় মোট বইয়ের চাহিদা ছয় লাখ ৮৪ হাজার ৯৯০। গত ১৫ দিনে বই পয়েছে পাঁচ লাখ ২৯ হাজার ৬১০। এখনও পৌঁছায়নি ২৩ শতাংশ বই। এরমধ্যে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা ৪৩ শতাংশ বই এখনও আসেনি। এ উপজেলার চাহিদা ছিলো ৫৬ হাজার ৭০০টি। বর্তমানে বই পেয়েছে ৩২ হাজার ৪০০টি।

৯ম শ্রেণিতে জেলায় মোট বইয়ের চাহিদা ছয় লাখ ৮৯ হাজার ২১৫। গত ১৫ দিনে বই পয়েছে পাঁচ লাখ ২৮ হাজার ৯২০। এখনও পৌঁছায়নি ২৩ শতাংশ বই। এরমধ্যে সবচেয়ে কম বই পেয়েছে বাগমারা উপজেলার শিক্ষার্থীরা। উপজেলার ৬৫ শতাংশ বই এখনও আসেনি। এ উপজেলার চাহিদা ছিলো এক লাখ ৩৯ হাজার ৫০০। বর্তমানে বই পেয়েছে ৪৯ হাজার ৪০০।

বাগমারার মাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান বলেন, বেশ কিছু বই এখনও হাতে পাইনি। বিশেষ করে অষ্টম ও নবম শ্রেণির বই বাকি রয়েছে।

রাজশাহী কলিজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. নূরজাহান বেগম বলেন, আমাদের এখানে মাঝে মাঝেই বই আসছে। সেগুলো বিতরণ করা হচ্ছে। তবে এখনও অষ্টম ও নবমম শ্রেণীর দুই থেকে তিনটি করে বই বুঝে পাইনি।

এবিষয়ে রাজশাহী জেলা শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দীন বলেন, আমরা যা বার্তা পেয়েছিলাম তাতে ১৫ তারিখের মধ্যেই সব বই চলে আসার কথা। এখন যেটুকু এসেছে সেটুকুই। বাকি বই আসছে। তবে জেলার মোট কত শতাংশ বই এসেছে সেটি জেনে জানাতে হবে। কিছু দিনের মধ্যেই সব বই চলে আসবে। জাগো নিউজ

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৬/০১/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.