ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা পুলিশের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এই প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানবে বলে মনে করছেন অভিভাবকসহ আয়োজক সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সাদা কাগজে রং-তুলি নিয়ে ক্ষুদে শিল্পীরা ছবি আঁকছেন। দেখে মনে হয়েছে এরা যেন একেক জন দক্ষ চিত্রশিল্পী। কেউ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি আঁকছে। কেউ আবার বাংলাদেশের স্মৃতি সৌধের ছবি আঁকছে। শিশুদের কোমল হাতের রং-তুলির নিপুণ ছোঁয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর একেকটি জীবন্ত ছবি যেন ফুটে উঠেছে চোখের সামনে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শিশু দ্বীপ চক্রবর্তী জানায়, জেলা পুলিশের আয়োজনে এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতে পেরে সে বেশ আনন্দিত। সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এঁকেছি। জল রং দিয়ে সে জীবন্ত ছবির মত করে আঁকার চেষ্টা করেছি।
আদ্রিতা ভৌমিক নামে আরেক শিশু জানায়, এখানে ছবি আঁকতে পেরে তার খুব ভাল লেগেছে। সে বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি এঁকেছি।
এদিকে বিনা ইসলাম নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জাতির পিতা সম্পর্কে জানতে সহযোগিতা করবে। এ দেশ গঠনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে অবদান এবং দেশের জন্যে যে ত্যাগ করেছিলেন সে সম্পর্কেও শিশুরা জানতে পারবে। জাতি গঠনেও তারা বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।’
দেবাশিষ ভৌমিক বাবু নামে আরেক অভিভাবক বলেন, আজকের আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের শিশুরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারবে। তারা এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে এবং বঙ্গবন্ধু আদর্শকে ধারণ করতে পারবে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এই শিশুরা যেন আগামী দিনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর ত্যাগের ইতিহাস জানাতে আমাদের এই প্রয়াস। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ এবং শিশুদের ভীত সমৃদ্ধ করতে এমন আয়োজন সবসময় করা হবে।’
এদিকে বিনা ইসলাম নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জাতির পিতা সম্পর্কে জানতে সহযোগিতা করবে। এ দেশ গঠনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে অবদান এবং দেশের জন্যে যে ত্যাগ করেছিলেন সে সম্পর্কেও শিশুরা জানতে পারবে। জাতি গঠনেও তারা বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।’
দেবাশিষ ভৌমিক বাবু নামে আরেক অভিভাবক বলেন, আজকের আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের শিশুরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারবে। তারা এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে এবং বঙ্গবন্ধু আদর্শকে ধারণ করতে পারবে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এই শিশুরা যেন আগামী দিনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর ত্যাগের ইতিহাস জানাতে আমাদের এই প্রয়াস। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ এবং শিশুদের ভীত সমৃদ্ধ করতে এমন আয়োজন সবসময় করা হবে।’
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৯/০৮/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
