এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কতটা যৌক্তিক

নিউজ ডেস্ক।।

এইচএসসি পরীক্ষা দুই মাস পেছানোসহ চার দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ করেছে পরীক্ষার্থীরা। তবে এই বিক্ষোভে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ সাতজনকে আটক করে থানায় নিয়েছে বলে দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও ১৫-১৬ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলেও দাবি তাদের। গতকাল বিকেল ৪টায় পুলিশ ধাওয়া দিলে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় অবরোধকারী শিক্ষার্থীরা। পরে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ দিকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয় (সোমবার) রাত ১২টার মধ্যে আটককৃত সহপাঠীদের পুলিশ ছেড়ে না দিলে তারা থানা ঘেরাও করবে। এ ছাড়া দেশজুড়ে তাদের দাবি আদায়ে আন্দোলন ডাকা হবে। রাজধানীর সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের পুলিশ সন্ত্রাসীদের মতো পিটিয়েছে। আর মাত্র দশ দিন বাকি পরীক্ষার তারপরও পুলিশ তাদের থানায় নিয়েছে। এমন ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

শিক্ষার্থীদের দাবি, আগামী ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির কারণে তাদের অনেকে ক্লাস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ ছাড়া অনেকেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। দুই মাস পরীক্ষা পেছানো হোক, না হলে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হোক।

এ সময় আইসিটি পরীক্ষা না নেয়ার দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। এর আগে শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথমে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় তারা। এরপর মিছিল নিয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে কিছুক্ষণ অবস্থান নেয়। সেখান থেকে নীলক্ষেত মোড়ে গিয়ে অবস্থান নিয়ে আবার সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবস্থান নিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় এই সড়কে বন্ধ হয়ে যায় যানচলাচল। শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি হলো- ৫০ মার্কের পরীক্ষা নেয়া, পরীক্ষা দুই মাস পিছিয়ে দেয়া, ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত রাখা এবং আইসিটি বিষয় বাদ দিয়ে পরীক্ষা নেয়া।

অনেক শিক্ষক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন এই দাবিটা এক বারে অযৌক্তিক। এভাবে যেকোনো কাজের জন্য আনোদালন করা সংস্কৃতিতে পরিনত হয়েছে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.