ঢাকাঃ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) প্রশাসন ব্যবহারিক শিক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বাড়তি নোটবুক লেখার চাপ কমানো, ক্লাসরুমে পাঠদানের চেয়ে মাঠে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ বৃদ্ধির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বলা হয়েছে, স্নাতক পর্যায়ে প্রতিটি পরীক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক নোটবুকের কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা জানান, টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হলেও কিছু কিছু বিষয়ের ব্যাবহারিক ক্লাসগুলো করানো হতো তাত্ত্বিকভাবে। বেশির ভাগ ক্লাসই করানো হয় ক্লাসরুমে বা ল্যাবরেটরিতে। অথচ ল্যাবের চেয়ে মাঠে শেখার মতো বিষয়ই বেশি। এ ছাড়া প্রতিটি ক্লাস শেষে নোটবুক লিখতে হয়। যেটা ক্লাসেই রাফ করার মতো করে লেখার কথা। কিন্তু সরবরাহকৃত মাত্রাতিরিক্ত শিট লিখতে হতো। যা ক্লাসের নির্ধারিত সময়ে লেখা সম্ভব হতো না। ফলে প্রতিদিন ক্লাসের বাইরে দীর্ঘ সময় ধরে নোটবুক লিখতে হতো।
এতে অযথা অনেক সময় নষ্ট হতো। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে সময় সাশ্রয় হবে, কারিগরি জ্ঞান বাড়বে শিক্ষার্থীদের।
শেকৃবির উপ-উপাচার্য অলক কুমার পাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আরো দক্ষ কৃষিবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা এই পরিবর্তন এনেছি। ক্লাসের জন্য নির্ধারিত দুই ঘণ্টা ধরেই ক্লাস করতে হবে। যেসব বিষয় শেখার জন্য মাঠে যাওয়া দরকার সেসব মাঠে শেখানো হবে। সব বিষয়ের পাঠদান রুমে বসে আর করা যাবে না।’
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৫/০৫/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তা’য়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
