কলেজ মাঠে শুকানো হয় তামাক, চড়ানো হয় গরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, লালমনিরহাটঃ জেলার আদিতমারী উপজেলার লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত সাপ্টিবাড়ী ডিগ্রী কলেজ। কলেজটি ১৯৯২ সালে স্থাপিত হয়। মহাসড়কের পাশে হওয়ায় অত্র এলাকার শিক্ষার্থীদের এখানে ভর্তির আগ্রহ বেশি। কিন্তু এই কলেজ মাঠেই এখন তামাক পাতা শুকানো ও গরু ছাগল চড়ানো হয়।

মঙ্গলবার (১৪ ফ্রেরুয়ারি) দুপুড়ে সাপ্টিবাড়ী কলেজ মাঠে দেখা গেলো এমন চিত্র। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কলেজের পাশের এক ব্যক্তি বলেন, এ কলেজে এখন লেখা পড়া হয় না। সন্ধ্যা হলে কলেজ মাঠে বসে গাঁজার আসর।

এছাড়া সরকারি বিভিন্ন বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ফিস, সেশন ফি, পরীক্ষার ফিসহ নানা অজুহাত দেখিয়ে সু-কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন খোদ প্রিন্সিপাল নিজেই। কেউ কিছু বললে ক্ষমতার জোরে নানা হুমকি প্রদান করে থাকেন তিনি।

এ বিষয়ে সাপ্টিবাড়ী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সুদান চন্দ্রের সঙ্গে সাক্ষাতে কথা হলে তিনি বলেন, কলেজ মাঠে গরু-ছাগল চড়ানো ও তামাক শুকানো কোনো বিষয় নয়৷ আমাদের কলেজের বড় মাঠ। ছাগল, গরু, ভেরা কিংবা তামাক শুকালে কিছু যায় আসেনা কলেজের। আমাদের মাঠে আমরা যা খুশি করবো, তাতে আপনাদের কি? আপনার যত লেখার লেখেন, এতে এ কলেজের বা আমার কেউ কিছু করতে পারবে না।

জানা গেছে, সাপ্টিবাড়ী ডিগ্রী কলেজের দুজন শিক্ষক, দুবছর কলেজের ক্লাস না নিয়ে বিল তুলে নেন। এ বিষয়ে কলেজের প্রিন্সিপাল সুদান চন্দ্র নিজে সুকৌশলে হাজিরা খাতা তৈরি করে ব্যাক ডেট দিয়ে কাগজ পত্র জমা দিয়ে বিল করিয়ে নেন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক সাপ্টিবাড়ী ডিগ্রী কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, প্রিন্সিপাল নিজেই মোটা অংকের টাকা নিয়ে এ কাজ করিয়েছেন। এলাকাবাসির দাবি, তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে।

আদিতমারী উপজেলার নির্বাহী অফিসার জি, আর সারওয়ার এর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এভাবে আন অফিসিয়ালি কথা বলা মোটেও ঠিক হয়নি। আমি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৫/০২/২৩     


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.