এইমাত্র পাওয়া

দুই মেয়েকে নিয়ে স্কুল শিক্ষিকার মানবেতর জীবন

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সালমা আক্তার নামে এক স্কুল শিক্ষিকার স্বামী রুহুল জামিল খুন হওয়ার পর থেকে দুই শিশু সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

২০১৫ সালে তার স্বামীর খুনের পর শ্বশুর বাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ ভাসুর তাদের সব সম্পদ কুক্ষিগত করার জন্য তাড়িয়ে দেন।

বর্তমানে তিনি বন্দর নাসিম ম্যামোরিয়াল স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি টিউশনি করে দুই কন্যা শিশুর ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন।

কিন্ত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতির কারণে সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। স্বামীর হত্যাকাণ্ডের পর সালমার শাশুড়ি রুহুল জামিলের মা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি পরিচালনা করছেন ভাসুর রুহুল কবির। রহস্যজনক কারণে তার ইচ্ছায় বারবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদল করায় রায়ও হচ্ছে না। অন্যদিকে রুহুল জামিলের মেয়ে দুটি নাবালক হওয়ার অযুহাত দেখিয়ে সম্পদ থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছেন ভাসুর। ওয়ারিশ অনুযায়ী স্বামীর প্রাপ্য অংশটুকুও দিচ্ছে না যা দিয়ে তার সংসার খরচ চালাতে পারেন।

উপায় না পেয়ে এখন বন্দরের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করার পাশাপাশি টিউশনি করে মেয়ে দুটিকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন এ গৃহবধূ।

সালমা আক্তার বলেন, স্বামী খুন হওয়ার তিন দিন আগে একটি হাসপাতালে আমি ভর্তি ছিলাম। সেখানে ভাসুর আমার স্বামীকে হুমকি দিয়েছিলেন, ওই হুমকির পরই খুন হন।

স্বামী হত্যায় আমাকে বাদ দিয়ে শাশুড়ীকে বাদি করে মামলা করায় ভাসুর। এখন ভাসুরের ইশারায় চলছে মামলা।

চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটি নিয়ে ভাসুরের ভুমিকায় এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন। এ ব্যাপারে তিনি স্বামী হত্যার দ্রুত বিচারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিধবা ভাতার দাবি জানান।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.