যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় ৭০ ব্যক্তি

অনলাইন ডেস্ক।।
সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রের  সত্তরের বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। এদের মধ্যে চীন, রাশিয়া, ইরান ও মিয়ানমারের মতো বড় দেশের কর্মকর্তারা রয়েছেন। আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস এবং বৈশ্বিক মানবাধিকার দিবসকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সরকার আলাদাভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

তবে তালিকার নামের সংখ্যা আরো বাড়তে বাড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থবিষয়ক দপ্তর গতকাল শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর)  রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ৯ দেশের ৪০ জনের বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা জানায়।নিষেধাজ্ঞায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত ইরান, মিয়ানমার, রাশিয়া, চীন, গুয়াতেমালা, লাইবেরিয়া, বেলারুশ, উত্তর কোরিয়া ও পশ্চিম বলকান অঞ্চলের। তাদের মধ্যে উত্তর কোরিয়া সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞায় ভারতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফুনসাগা পিটিই লিমিটেডের পরিচালক দীপক যাদবের নাম রয়েছে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর)  সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের সরকার ৩০ জন বিদেশির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। মূলত নির্যাতন, যৌন সহিংসতা ও রাজপথের বিক্ষোভে সহিংস দমনপীড়নের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এমন ব্যক্তিকে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।  ব্রিটিশ সরকার জানায়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা বন্দি নির্যাতনসহ সেনা মোতায়েন করে বেসামরিক নাগরিকদের ধর্ষণের মতো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ব্রিটিশ সরকারের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় মিয়া আবদুল হক নামের এক পাকিস্তানিও আছেন। তিনি অমুসলিমদের জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত।

এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়েছেন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন। যুক্তরাজ্য বলেছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ওই ব্যক্তিরা গণহত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এছাড়া মিয়ানমারের সামরিক প্রধানের দপ্তর এবং নিরাপত্তাবিষয়ক দপ্তরও নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাজ্য বলেছে, তারা গত বছরের সামরিক অভ্যুত্থানের পর সংঘটিত নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। এসব নির্যাতনের মধ্যে ধর্ষণসহ যৌন সহিংসতার মতো বিষয়ও রয়েছে। পৃথকভাবে বৈশ্বিক মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে বার্ষিক পর্যালোচনায় যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, গত বছর উইঘুর মুসলিম প্রশ্নে চীনের অবস্থানের অবনতি হয়েছে। উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে ‘ভয়ংকর নিপীড়নমূলক’ আচরণ করা হয়েছে বলে মত দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সূত্র : রয়টার্স


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.