নারী পুলিশের প্রেমের জালে ধরা পড়ল আসামি

নিউজ ডেস্ক।।

প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে কৌশলে আসামি ধরেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে চুরি হয়ে যাওয়া ব্যাটারিচালিত দুটি অটোরিকশা। পাশাপাশি চোরাই চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। যে চক্রটি চালকের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নেয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে গ্রেপ্তার চারজনকে মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহিমপুরের অহিদ হোসেনের ছেলে মাসুক মিয়া (৩৫), কেনা গ্রামের আবু লাল মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা (৩১), একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. শরীফ (২৪) ও বুধন্তীর শিশু মিয়ার ছেলে মো. এরশাদ মিয়া (৪৩)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিজয়নগর উপজেলার কচুয়ামোড়া গ্রামের ছালেকুজ্জামান নামে এক ব্যক্তির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্প্রতি আখাউড়ার খড়মপুর এলাকা থেকে চুরি হয়। ছালেকুজ্জামানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে যায় ওই চক্র। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ছালেকুজ্জামান। ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান থানার এসআই মো. মঈন উদ্দিন।

তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে আসামি শরীফের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন এক নারী পুলিশ সদস্য। সোমবার তাকে খড়মপুর এলাকায় আসতে বলা হয়। থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার, এসআই মাঈন উদ্দিনসহ অন্যান্যরা অভিযান চালান। এ সময় কৌশলে শরীফ ও তার সঙ্গে থাকা এরশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি মতে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার ও দুটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ।

আখাউড়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার বলেন, মূলত শরীফ নামে ব্যক্তিই ওই চালককে ফোন করে ভাড়ার কথা বলে নিয়ে যান। যে কারণে তার মোবাইল নম্বর চালকের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এরপর কৌশল অবলম্বন করে অভিযান চালানো হয়।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.