বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে বরের জেল ঘোষনা

 বাঘারপাড়া (যশোর)ঃ  গোপনে অন্যত্র বিয়ের আয়োজন করেও বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজের হস্তক্ষেপে ভেস্তে গেল বাল্য বিয়ের আয়োজন। বর যশোর সদর উপজেলার দৌলতদি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে কামরুজ্জামান(২২)। অপরদিকে কনে হল একই উপজেলার ঘুনি গ্রামের হাসেম আলীর মেয়ে মোহনা আক্তার লিজা (১৪)। এলাকায় বিয়ে সম্পন্ন করতে গেলে ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় কনের নানা বাড়ি বাগডাঙ্গা গ্রামের ছাত্তার বিশ্বাসের বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করা হয়।

শনিবার বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ভ্রাম্যমান আদালত এ বাল্য বিবাহের বর কামরুজ্জামানকে ১৫ দিনের জেল দেন।

অপরদিকে  শুক্রবার জুমার নামাজের পর  বাঘারপাড়া উপজেলার করিমপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত একটি বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়েছে। বিয়ের ভুড়িভোজের শুরুতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজের উপস্থিতির কারনে বিয়ে ভেস্তে যায়। এ ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক কনে সুরাইয়া খাতুনের চাচা ইউসারের এক মাসের জেল ঘোষনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য সুরাইয়া খাতুন (১৬) করিমপুর দাখিল মাদ্রাসার ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী। সে করিমপুর গ্রামের মোতাহার বিশ্বাসের মেয়ে। বর পক্ষ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতির খবর পেয়ে আগেই সটকে পড়ায় তারা কেহ আটক হয়নি। কনের পিতা মোতাহার হোসেনকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে করিমপুর গ্রামের মোতাহার হোসেনের কন্যা সুরাইয়া খাতুনের এ বিয়ে ঘটনার দিন ভোর সকালে গ্রাম্য মোল্যার দ্বারা সম্পন্ন করে রাখা হয়েছে বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.