এইমাত্র পাওয়া

ফলাফলে অসন্তুষ্ট ১,১৬৩ শিক্ষার্থী এবার নিজেরাই দেখবে উত্তরপত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বা গুচ্ছ পরীক্ষার ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণেও সন্তুষ্ট হতে পারেনি ১১৬৩ জন ভর্তি ইচ্ছুক। তারা এখন নতুন করে আবারো উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে দ্বিতীয়বার তারা উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে নিজেরাই নিজেদের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট দেখতে পারবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল যদিও প্রকাশিত হয়েছে কিন্তু এতে কোনো শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন আসেনি। তাই বিষয়টি অনেকটাই অস্বাভাবিক মনে করছেন অনেকেই। এরপরও পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনকারী কোনো শিক্ষার্থী যদি চান, তাহলে তাদের ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র সরাসরি দেখার সুযোগ দেবে কর্তৃপক্ষ। এ জন্য আগে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ চাইলে উত্তরপত্র দেখতে আগামী বুধবারের মধ্যে তাদেরকে আবেদন করতে হবে।

গতকাল রোববার দেশের ২২টি সরকারি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নাছিম আখতার সাংবাদিকদরে এই তথ্য জানিয়েছেন। ভিসি নাছিম আখতার বলেন, আজ সোমবার থেকে আগামী বুধবার, মোট তিন দিন নির্দিষ্ট ই-মেইল ঠিকানায় উত্তরপত্র দেখার জন্য আবেদন করা যাবে। ফিরতি ইমেইলে উত্তরপত্র দেখানোর দিনক্ষণ জানিয়ে দেয়া হবে।

নাছিম আখতার আরো বলেন, আবেদন সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক বরাবর করতে হবে। আবেদন পাঠাতে হবে ুুঁধষ@পংব.লহঁ.ধপ.নফ এই ইমেইলে। উত্তরপত্র দেখানো হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। উত্তরপত্র সরাসরি দেখতে কোনো ফি প্রদান করতে হবে না।

উল্লেখ্য, এর আগে গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়। সেখানে কোনো শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন আসেনি। তাই এবার চাইলে উত্তরপত্র সরাসরি দেখতে পারবেন সংক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা।

সূত্র মতে, ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা দুই হাজার টাকা আবেদন ফি পরিশোধ করে এর আগে তাদের ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, কারও ফলাফল পরিবর্তিত হলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেবে কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষ জানান, পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন বিজ্ঞান বিভাগের এ ইউনিট থেকে ৬৮৬ জন, মানবিক বিভাগের বি ইউনিট থেকে ২৪৫ জন এবং বাণিজ্য বিভাগের সি ইউনিট থেকে ২৩২ জন। মোট এক হাজার ১৬৩ জন।

ভিসি নাছিম আখতার বলেন, ‘আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ফল কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে যাচাই-বাছাই করার পর আমরা ম্যানুয়ালিও যাচাই করে দেখি, এতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না। কয়েকটি নমুনা উত্তরপত্র যাচাই করে দেখা যায়, ফলাফল একই আছে। আমরা নিশ্চিত, শতভাগ সঠিক ফল পেয়েছেন সব শিক্ষার্থী। ভিসি আরো বলেন, এরপরও যদি আবেদনকারী কোনো শিক্ষার্থী তার উত্তরপত্র দেখতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন, তবে আমরা তা দেখারও সুযোগ দেবো।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.