শাহ মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ওই নারীর কাছে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) চাওয়া হয়। এনআইডি পরীক্ষা করে দেখা যায়, ডেটাবেজে সব তথ্য আছে। তাঁর এনআইডিও ভুয়া নয়। ঠিকানা দেওয়া হয়েছে সাভারের আশুলিয়ার। ওই ঠিকানা ব্যবহার করে চার মাস আগে এনআইডি তৈরি করেন তিনি। এনআইডি সঠিক হলেও সন্দেহ দূর না হওয়ায় তাঁর আঙুলের ছাপ নিয়ে রোহিঙ্গাদের ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়, তিনি নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী।
শাহ মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, হতিজা রোহিঙ্গা নারী, এটা নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি জানান, মালয়েশিয়ায় অবস্থানকারী এক ছেলের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ওই ছেলের পরামর্শে পাসপোর্ট তৈরি করে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে তাঁর সব খরচ বহন করছিলেন মালয়েশিয়ায় অবস্থানকারী ওই ছেলে।

সাভারে মরিয়ম নামের এক নারীর বাসায় থেকে হতিজা এনআইডি তৈরি করেন। স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে তিনি মরিয়মের বাসার ঠিকানা দিয়েছেন। তিনি কীভাবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির থেকে আশুলিয়ায় এসেছেন, কাদের সহায়তায় এনআইডি তৈরি করেছেন এবং পাসপোর্ট তৈরির চেষ্টা করছিলেন—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা অনুসন্ধান করবে
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
