বুয়েট ছাড়াও ঢাবি, মেডিকেলে চান্স পান আবরার

অনলাইন ডেস্ক :

বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা আবাসিক ছাত্র আবরার ফাহাদ অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি বুয়েটে ভর্তির চান্স পাওয়ার পাশাপাশি আরো কয়েকটি দেশসেরা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন।

রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে শের-ই-বাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে তাকে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা।

রাত ৩টার দিকে হলের এক বড় ভাইয়ের মোবাইল কলে কুষ্টিয়া শহরে অবস্থানরত বাবা-মা জানতে পারেন তাদের সন্তান আর বেঁচে নেই। এরপর যেন তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। শোকে বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন মা।

২০১৫ সালে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন আবরার। এইচএসসিতে ভালো ফল করেন। অনার্সে পড়ার জন্য কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেন।

এরমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হন আবরার। চান্স পেয়েছিলেন মেডিকেল কলেজেও। তবে বুয়েটে চান্স পেয়ে সেখানে পড়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং ভর্তি হন ইলেট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে।

বাবা বরকতুল্লাহ ব্র্যাকের নিরীক্ষক কর্মকর্তা ছিলেন। মা রোকেয়া খাতুন একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক। দুই ভাইয়ের মধ্যে আবরার ফাহাদ বড়। ছোট ভাই আবরার ফায়াজ ঢাকা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনিও ঢাকা কলেজের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করেন।

বরকতুল্লাহর গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে। পরে তিনি কুষ্টিয়া শহরে বসবাস শুরু করেন।

আবরার ফায়াজ জানান, যারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, তারাই অপপ্রচার চালাচ্ছেন- ফাহাদ ছাত্রশিবির করতেন। প্রকৃত পক্ষে ফাহাদ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন কিন্তু রাজনৈতিক কোনো সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.