গাছে উঠে কাঁঠাল পাড়ায় ২ ছাত্রীকে শোকজ

হল প্রাধ্যক্ষ গাজী মো. মহসিন স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আগেও গাছ থেকে কাঁঠাল, কামরাঙা, পেয়ারা ইত্যাদি খোয়া গেছে। কিন্তু কাউকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। সরকারি সম্পদ বিনা অনুমতিতে নিয়ে যাওয়া আইনসংগত নয়। এ ছাড়া গাছে উঠে কাঁঠাল পাড়ার সময় গাছ থেকে পড়ে দুর্ঘটনা কিংবা প্রাণনাশের শঙ্কা ছিল। এতে বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা হল কর্তৃপক্ষ বিপদে পড়তে পারত। হল আইনবিরোধী এই কর্মকাণ্ডে জন্য কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে না, তা হল দপ্তরে লিখিতভাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।

হল প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর তাঁরা আজ হল প্রাধ্যক্ষের দপ্তরে নোটিশের জবাব দেন। তাঁরা আবেগের বশবর্তী হয়ে গাছ থেকে কাঁঠাল পেড়েছেন বলে স্বীকার করেন। সেই সঙ্গে প্রশাসনকে বিষয়টি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করেন।

তবে হলে অবস্থানকারী একাধিক ছাত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে হল প্রশাসনের কারণ দর্শানোর এই নোটিশের সমালোচনা করেছেন। তাঁরা বলছেন, এভাবে নোটিশ না দিয়ে হল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত দুই ছাত্রীকে সতর্ক করতে পারত। কিংবা হলে অবস্থানকারী সবার উদ্দেশে একটি সতর্কতামূলক নোটিশ দিতে পারত। তা না করে যেভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়ে নোটিশে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে, তাতে ছাত্রীদের অপমান করা হয়েছে, যা কোনোভাবে কাম্য নয়।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, কাঁঠালগাছের প্রায় ১২-১৫ ফুট উঁচুতে কাঁঠালের বোঁটার ছেঁড়া অংশ। সেখানে ছোট একটি কাঁঠালও আছে। হলের একজন কর্মকর্তা বলেন, ছাত্রীরা গাছ বেয়ে উঠে কাঁঠাল পেড়েছেন, যা করতে গিয়ে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.