নিজস্ব প্রতিবেদক।।
নওগাঁর মহাদেবপুরের দাউল বারবাকপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রীদের পিটুনির সঙ্গে হিজাবের কোনো সম্পর্ক খুঁজে পায়নি তদন্ত কমিটি। তারা স্কুলড্রেস না পরায় মারধর করা হয়। শিক্ষার্থীদের বেত্রাঘাত করার কারণে আমোদিনীসহ দুই শিক্ষকের শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। এর আগে গত বুধবার ওই বিদ্যালয়ে মুসলিম ছাত্রী ছাড়াও মুসলিম ছাত্র ও সনাতন (হিন্দু ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) ধর্মাবলম্বী ছাত্রছাত্রীদের স্কুল ড্রেস পরে না আসার জন্য বেত্রাঘাত করেন দুই শিক্ষক। তবে শুধু শিক্ষিকা আমোদিনী পালের বিরুদ্ধে হিজাব পরার কারণে ছাত্রীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগের পর তোলপাড়ের মধ্যেই স্কুলটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর আসলে কী ঘটেছিল, তা বের করতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি।দায়িত্ব দেয়া হয়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আরিফ প্রামাণিক এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানকে।সোমবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে তদন্ত কমিটি মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমানের কাছে সেই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুলটিতে শিক্ষার্থীদের পিটুনি দেয়া হয়েছিল নির্ধারিত পোশাক না পরায়। এই ঘটনায় হিজাব বিতর্কের অন্তরালে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বন্দ্ব ও শিক্ষকদের মধ্যকার বিরোধই এ ঘটনার মূল কারণ বলেও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন তুলে ধরে ইউএনও মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মূলত স্কুল ড্রেস না পড়ার কারণে স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে দুই শিক্ষক বেত্রাঘাত করেন। তাদের মধ্যে হিন্দু ছাত্রী ও ছেলে শিক্ষার্থীও ছিল। হিজাব পরার কারণে শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়েছে, এমন তথ্য তদন্ত প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
