শ্বেতফল গ্রামে সাপের সঙ্গে এক ঘরে বসবাস করে মানুষ। সাপ আর মানুষের মধ্যে এক অদ্ভুত সম্পর্ক এই গ্রামে।
এই গ্রামে ৫১৭ পরিবারের বাস। জনসংখ্যা ২৩৭৪। শুষ্ক জলবায়ুর কারণে বিভিন্ন প্রজাতির সাপেদের বসবাসের জন্য আদর্শও এই গ্রাম। কেউটে, চন্দ্রবোড়া, শাখামুটি-সহ নানা প্রজাতির বিষধর সাপের বাস এখানে। গ্রামের কেউই সাপকে ভয় পায় না। সাপ নিয়েই সারাদিন খেলে তারা।
জানা গিয়েছে, ওই গ্রামের প্রতিটা বাড়িতেই সাপের থাকার আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। সাপ ইচ্ছামতো ঘরে ঢুকে বিশ্রাম নেয়। আবার ইচ্ছা হলে বেরিয়েও যায়। বিশ্রামাগারে সব সময়ই সাপের খাবারও মজুত রাখা হয়।
গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, সাপের সঙ্গে এক ঘরে বাস হলেও ওই গ্রামেও সাপে কাটার ঘটনা ঘটেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাপ কখনই পোষ মানে না। কিন্তু কীভাবে, কবে থেকে শ্বেতফলবাসীরা অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গিয়েছে সাপের সঙ্গে সহাবস্থান, তা কারও জানা নেই।
ভারতের মহারাষ্ট্রের এই গ্রামে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। তবে অনেকের দাবি, এই গ্রামকে পর্যটন বান্ধব করার জন্য সাপের উপরে নির্মম অত্যাচার চালানো হয়। সাপ যাতে কামড়াতে না পারে, বিষ দাঁত ভেঙে ফেলা হয়। অনেক সাপের মুখও নাকি সেলাই করে আটকে দেয়া হচ্ছে। ফলে না খেতে পেয়ে বা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অনেক সাপ। এর ফলে মৃত্যুও হচ্ছে
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
