অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষাসনদ প্রত্যেকের জীবনেই অনেক শ্রমসাধ্য একটি বস্তু। দুর্ঘটনাক্রমে এই মহামূল্যবান কাগজটিও অনেক সময় হারিয়ে যায় কিংবা নষ্ট হয়ে যায়।অসাবধানতাবশতঃ এমন হলে করণীয় কী তা জেনে নেওয়া যাক।
থানায় জিডিঃ
জিডি লেখা শেষে এর একটি কপি আপনাকে দিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে তা বিভিন্ন জায়গায় দরকার হতে পারে। জিডির কপি হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এর কয়েকটি ফটোকপি করে রাখতে হবে।
পত্রিকায় বিজ্ঞাপনঃ
শিক্ষাবোর্ডে আবেদনঃ
সার্টিফিকেট আবেদনের জন্য প্রথমেই সার্টিফিকেট ফি জমা দিতে হবে। আর এর জন্য একমাত্র মাধ্যম অনলাইনে সোনালী সেবা। কোনো ধরনের নগদ অর্থ, পোস্টাল অর্ডার কিংবা ট্রেজারি চালান এখন আর গৃহীত হয় না।
ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে সোনালী সেবায় পাওয়া যাবে ফি জমা দেওয়ার ফরম। সেটি পূরণ করে সেভ করলে ফি জমা দেওয়ার ফরম পাওয়া যাবে। সেটি প্রিন্ট করে সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখায় জমা দিলে দুটি জমা রশিদ প্রদান করা হবে। একটি ফি প্রদানকারীর অংশ, আরেকটি বোর্ডের জন্য।
শিক্ষাবোর্ডে আবেদনপত্র জমাঃ
আবেদনপত্রের সবার উপরে ইআইআইএন নম্বরটি পাওয়া যাবে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটের হোম পেজের ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট থেকে।
এ ছাড়া আবেদনকারীর পরীক্ষা সংক্রান্ত ও ব্যক্তিগত বৃত্তান্তের পাশাপাশি সোনালী সেবা নম্বর দিতে হয়, যেটি পাওয়া যাবে সোনালী ব্যাংক থেকে সরবরাহকৃত আবেদনকারীর জমা রশিদে।
আবেদনপত্রটি চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত হয়ে গেলে শিক্ষাবোর্ডে জমা দেওয়ার সময় এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। সেগুলো হলো- জিডির কপি, পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটির কেটে নেওয়া অংশ এবং বোর্ডের জন্য নির্ধারিত টাকা জমা দেওয়ার রশিদ।
সার্টিফিকেট যদি কোন কারণে আংশিক বা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায় তাহলে জিডি করা বা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির দেওয়ার প্রয়োজন নেই। নষ্ট হয়ে যাওয়া সার্টিফিকেট নিয়ে পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করলে চলবে।
প্রয়োজনীয় খরচঃ
শিক্ষা সনদপত্রের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের বিকল্প নেই। সনদ যখন ইস্যু করা হয় তখনই অফসেট কাগজে এর বেশ কয়েকটি অনুলিপি করে রাখা ভালো। যথাযথ যত্নে সনদ রাখলে হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরিণামে সময় ও অর্থ অপচয় থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
