এইমাত্র পাওয়া

পশ্চিমবঙ্গে কাল খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে আগামী বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে। অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সশরীরে শ্রেণিকক্ষে গিয়ে ক্লাস করতে পারবেন। আর পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য চালু থাকবে এলাকাভিত্তিক ‘পাড়ায় শিক্ষালয়’। কিন্তু স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হলেও মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জারি থাকছে বিধিনিষেধ।

ভারতীয় মিডিয়া এনডিটিভির খবরে বলা হয়, সোমবার (৩১ জানুয়ারি) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিধিনিষেধ চলাকালে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে কারফিউ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন-
* ৭৫ শতাংশ কর্মচারী নিয়ে খুলতে পারবে সরকারি-বেসরকারি অফিস, রেস্টুরেন্ট, বার, সিনেমা হল।
* পার্ক, বিনোদন পার্ক আপাতত খুলে দেওয়া হচ্ছে। ১৫ ফেব্রুয়ারির পর পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
* ৭৫ শতাংশ লোক নিয়ে ক্রীড়া কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান করা যাবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো রাস্তার মিটিং, মিছিল ২০০ জনকে নিয়েই করতে হবে।
কলকাতা থেকে মুম্বাই ও নয়াদিল্লির বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ থাকছে না। কলকাতা-লন্ডন বিমান চলাচলেও বিধিনিষেধ উঠল। কিন্তু প্লেনে উঠতে আরটিপিসিআর টেস্টে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক।

এ দিকে বেঙ্গালুরুতে করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী থাকায় কলকাতা-বেঙ্গালুরু বিমানে কড়াকড়ি বহাল থাকছে।
এদিকে রাজ্যজুড়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে যে বিধিনিষেধ ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জারি ছিল তা নতুন করে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যদিও সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার ফলে একাধিক ক্ষেত্রে শিথিল করা হয়েছে।

মমতা বলেন, ‘তিন বছর ধরে বিধিনিষেধ চলে আসছে, তা যদি সারাবছরই চলতে থাকে তবে মানুষের জীবনটাই অন্ধকারে ডুবে যাবে। আর জীবন না চললে জীবিকাই বা কিভাবে চলবে। আর মানুষের যদি কর্মক্ষমতা, ক্রয়ক্ষমতা না থাকে, শিল্প চালু না থাকে, কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকে তবে সব কিছু থমকে যাবে।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.