নিউজ ডেস্ক।।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, চার মাসের মাথায় ফের স্কুল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে সরকার; তবে বাণিজ্য মেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা।
জানতে চাইলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সচিব ও মেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী শুক্রবার বলেন, “স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাণিজ্য মেলা চলবে। স্বাস্থ্যবিধিতে যা বলা আছে তাতে মেলা বন্ধ করার কোনো কারণ নেই।“
তবে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এ পরিস্থিতিতে মেলা চালানোর পক্ষে নন।
তিনি বলেছেন, “আমার মনে হয়, টোটালি বাণিজ্য মেলাটা বন্ধ করে দিতে পারলে ভালো হত, অনেস্টলি স্পিকিং।” শেরে বাংলা নগরের পুরনো ঠিকানা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে শুরুতে মেলা তেমন জমেনি। তবে কয়েকদিনের মধ্যে ভীড়-ভাট্টা বাড়তে শুরু করে, স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হওয়ার ঘটনাও সামনে আসছিল।
এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাবের পর সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করে ১০ জানুয়ারি, যা কার্যকর করা হয় ১৩ জানুয়ারি থেকে।
সেসময় মেলার পরিচালক বলেছিলেন, “মাস্ক ছাড়া কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। মেলার ভেতরেও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে বিশেষ নজর রাখবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।”
দ্রুত পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় শুক্রবার সকালে নতুন বিধিনিষেধের ঘোষণা দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সেখানে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোনো সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে একশ জনের বেশি মানুষের সমাবেশ করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে যারা যোগ দেবেন, তাদের অবশ্যই টিকা সনদ অথবা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করা পিসিআরে কোভিড টেস্টের রিপোর্ট দেখাতে হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
