শিক্ষার্থীদের কান পর্যন্ত কথা পৌঁছানোর জন্য শিক্ষকদের একটু জোরেই কথা বলতে হয়। কিন্তু ‘জোরে’ কথা বলেন, এই অভিযোগ এনে এক শিক্ষিকাকে চাকরিচ্যুত করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অন্যায্য ভাবে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে উল্টো কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি। সেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১ লাখ মার্কিন ডলার ( বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি টাকার বেশি) ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন ওই শিক্ষিকা।
বিবিসি বুধবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. অ্যানেট প্লাউটকে জোরে কথা বলার অভিযোগ এনে চাকরিচ্যুত করা হয়। ওই বিশ্ববিদ্যালয়েই ৩০ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন ড. অ্যানেট।
ড. অ্যানেটের পিএইচডিরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আচরণের জের ধরে তাকে বরখাস্ত করা হয়। অবশ্য এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ড. অ্যানেটের দাবি তার গলার স্বর ‘প্রকৃতগতভাবেই জোরে’ হয়। মধ্য ইউরোপীয় ইহুদি পটভূমি থেকে আসার কারণেই তার গলার স্বর এ রকম বলে দাবি করেন তিনি। অ্যানেটের দাবি নারী এবং গলার স্বর অস্বাভাবিক হওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়।
যদিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি অ্যানেটের বরখাস্তের সঙ্গে তার নারী কিংবা ইহুদি হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল

