অনলাইন ডেস্ক:
দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শূন্য পদগুলোর পূরণ না হওয়ার কারণে দক্ষতা ও মানের ঘাটতি নিয়েই বেড়ে উঠছে শিক্ষার্থীরা। ফলে নিজ ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত ভূক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।
এদিকে শিক্ষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে এত পদ শূন্য রেখে মানসম্মত শিক্ষা দূরের কথা, স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়াই দুরূহ ব্যাপার।
দেশের প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক থেকে উপপরিচালক পর্যন্ত ২২ শতাংশ পদ শূন্য। আটকে আছে শিক্ষক পদে ২,১৫৫ নিয়োগ। এর মধ্যে সহকারী শিক্ষকের পদই প্রায় ২০ শতাংশ শূন্য।
এ প্রসঙ্গে কয়েকজন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীর তুলনায় এমনটিতেই পদসংখ্যা পর্যাপ্ত নয়, সেখানে এত পদ শূন্য রেখে মানসম্মত শিক্ষা দূরের কথা, স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়াই দুরূহ ব্যাপার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, এই পরিস্থিতিতে নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত। মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি আমরা।
জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাধ্যমিক) ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাছিমা আক্তার গণমাধ্যমকেবলেন, তার বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির পদ আছে ১০টি। এর মধ্যে ৫টি এমএলএসএস (পিয়ন) পদে কেউ নেই। অন্যান্য পদের মধ্যে একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছেন, তিনিও অসুস্থ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের মাধ্যমিক বিদ্যালয়েই শিক্ষকের সঙ্কট, বিশেষ করে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের সঙ্কট প্রকট। এর ফলে সংখ্যার পাশাপাশি মানের দিক থেকে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নেও এটি বড় অন্তরায়। তাই এই সংকট দূর করতে সরকারের জরুরি ভিত্তিতে মনোযোগ দেয়া দরকার।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
