ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং রেগুলেশন অনুযায়ী, মূল মার্কেটে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন নূন্যতম ৩০ কোটি টাকা থাকার বিধান রয়েছে। তবে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে এখনও স্বল্প মূলধনী ৬৫টি কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকার নিচে রয়েছে। এরই ধরাবাহিকতায় ওই কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
তথ্য মতে, পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকা উপরে থাকা কোম্পানির সংখ্যা ১১টি। আর পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকার নিচে থাকা কোম্পানির সংখ্যা ৫৪টি।
বিএসইসি’র চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেগুলেশন ২০১৫ এর রেগুলেশন ৯(আই) অনুযায়ী, মূল মার্কেটে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন নূন্যতম ৩০ কোটি টাকা থাকার বিধান রয়েছে। সেই অনুযায়ী কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে হবে। সে জন্য পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকা উপরে থাকা কোম্পানিগুলোকে ২০২২ সালের ৩০ জুন এবং ২০ কোটি টাকার নিচে থাকা কোম্পানিকে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হলো।
চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর বিষয়ে এ চিঠি জারি করা ৩০ দিনের মধ্যে বিএসইসি’র কাছে একটি সুনির্দিষ্ট ও বিশদ প্রস্তাব দাখিল করতে বলা হলো। এই বিষয়ে বিএসইসি’র প্রয়োজনীয় অনুমোদন (যদি থাকে) প্রদানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।
শেয়ারবাজারের মূল মার্কেটে তালিকাভুক্ত ৩০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিগুলো হলো- ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টের ৯৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজের ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, লিব্রা ইনফিউশনের ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, জুট স্পিনার্সের ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের ২ কোটি টাকা, নর্দান জুটের ২ কোটি ১৪ লাখ টাকা, অ্যাম্বি ফার্মাসিউটিক্যালস ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা, সোনালী আঁশের ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা, মুন্নু এগ্রার ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ফার্মা এইডের ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা, মনোসপুল পেপারের ৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা, পেপার প্রসেসিংয়ের ১০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, বিডি অটোকারসের ৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, জেমিনি সি ফুডের ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা, রেকিট বেনকাইজার ৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, কে অ্যান্ড কিউয়ের ৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, শ্যামপুর সুগারের ৫ কোটি টাকা, আজিজ পাইপসের ৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, অ্যাপেক্স ফুডের ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা, জিল বাংলা সুগারের ৬ কোটি টাকা, অ্যারামিটের ৬ কোটি টাকা, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, ন্যাশনাল টি’র ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, দেশ গার্মেন্টসের ৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, দুলামিয়া কটনের ৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা, বঙ্গজের ৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, ইমাম বাটনের ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা, এএমসিএল প্রাণের ৮ কোটি লাখ টাকা, অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ে ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা, জিকিউ বলপেনের ৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, বিডি ল্যাম্পসের ৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা, রহিম টেক্সটাইলের ৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, রংপুর ফাউন্ড্রির ১০ কোটি টাকা।
এছাড়া সমতা লেদারের ১০ কোটি ৩২ লাখ টাকা, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্কের ১০ কোটি ৯২ লাখ টাকা, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ১১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, মেঘনা পেটের ১২ কোটি টাকা, ইউনিলিভারের ১২ কোটি ০৫ লাখ টাকা, লিগেসি ফুটওয়্যারের ১৩ কোটি ০৮ লাখ টাকা, বাটা সু’র ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, স্টাইলক্রাফটের ১৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, ফাইন ফুডসে ১৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, ওয়াটা কেমিক্যালের ১৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা, লিনডে বিডির ১৫ কোটি ২২ লাখ টাকা, অ্যাপেক্স ট্যানারির ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা, আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা, মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের ১৬ কোটি টাকা, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, উসমানিয় গ্লাসের ১৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা, আনলিমা ইয়ার্ন ডাইং ১৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, সোনালী পেপারের ২১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, শমরিতা হাসপাতালের ১৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, হাক্কানি পাল্পের ১৯ কোটি টাকা, সিনোবাংলার ১৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, রহিমা ফুডের ২০ কোটি টাকা, ওরিয়ন ইনফিউশনের ২০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, জেএমআই সিরিঞ্জের ২২ কোটি ১০ লাখ টাকা, কোহিনূর কেমিক্যালের ২২ কোটি ২০ লাখ টাকা, আল-হাজ্জ টেক্সটাইলের ২২ কোটি ৩০ লাখ টাকা, সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ২৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা, এইচআর টেক্সটাইলের ২৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা, ইস্টার্ন কেবলসের ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা, সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, মেঘনা সিমেন্টের ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা ও সাফকো স্পিনিংয়ের ২৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
