এইমাত্র পাওয়া

উড়ল নতুন পতাকা সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

নিউজ ডেস্ক।।

দেশজুড়ে পালিত হয়েছে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব। দিবসটিকে উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সাজ সাজ রব ছিল দেশের সব স্কুল-কলেজে। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আয়োজন করা হয় বিশেষ অনুষ্ঠানের। ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, ক্রীড়ানুষ্ঠান এবং টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, নৌকা বাইচ, ফুটবল, কাবাডি ও হা-ডু-ডু খেলার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়। সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে কাজটি করা হয় এদিনÑ সারাদেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওড়ানো হয় নতুন পতাকা।

সরেজমিনে রাজধানীর কয়েকটি প্রাথমিক স্কুলে দেখা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী কোথাও ওড়েনি পুরাতন পতাকা। যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন জাতীয় পতাকা (বিধি মোতাবেক সঠিক মাপ ও রংয়ের) উত্তোলন করা হয়। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণগুলো সাজানো হয় লাল-নীল কাগজে। এর আগেরদিন বুধবার রাত থেকেই স্কুলগুলোতে জ্বলে লাল-সবুজের বৈদ্যুতিক মরিচা বাতি। রাজধানীর মগবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজ, ইস্পাহানি গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়সহ প্রায় সব প্রতিষ্ঠানকে সাজানো হয় অপরূপ সাজে। এদিন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ইউনিফর্ম গায়ে দিয়ে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা।

এদিন জাতীয় কর্মসূচীর সঙ্গে সমন্বয় করে বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে দেশব্যাপী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শপথ অনুষ্ঠানেও অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিখায় আলোকিত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের মাহেন্দ্রক্ষণে দেশ গড়ার প্রত্যয়ে শপথ নেন দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মরাও। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীরা তাদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের ইউনিফর্ম পরিধান করে ছোট আকারের (১০ইঞ্চি বাই ৬ ইঞ্চি) জাতীয় পতাকা নিয়ে নির্দিষ্ট ডিজাইনের মাস্ক পরে শপথবাক্য পাঠ করে।

এছাড়া বিজয় দিবস উদযাপনে প্রায় সব সরকারী-বেসরকারী স্কুল-কলেজে ক্রীড়ানুষ্ঠান ও বিতর্ক-আবৃত্তি প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। দিবসটি উদযাপনে স্কুল ও কলেজগুলোয় ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, ক্রীড়ানুষ্ঠান এবং টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, নৌকা বাইচ, ফুটবল, কাবাডি ও হা-ডু-ডুর মতো আনন্দদায়ক খেলাধুলায় অংশ নেয়।

জানা যায়, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা, বিতর্ক ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতারও আয়োজন করবে স্কুল-কলেজগুলো।

এ সংক্রান্ত একটি আদেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর। আদেশে অধিদফতর বলছে, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সরকারী-বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা, বিতর্ক ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার মধ্যে যেসব প্রতিযোগিতা সুবিধাজনক তা আয়োজন করতে হবে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে তাদের কণ্ঠে মুক্তিযুদ্ধের উল্লেখযোগ্য স্মৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মুখে উপস্থাপন করতে হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.