এইমাত্র পাওয়া

সোমবার থেকে টিকা পাবে সিলেটের স্কুল শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক : সিলেট মহানগরীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী সোমবার মহানগরের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থীরা করোনাভাইরাস প্রতিরোধী এই টিকা গ্রহণ করবে। প্রাথমিক অবস্থায় ২৫ হাজার ৩ শত ৯৪ জন স্কুল শিক্ষার্থী এই ভ্যাকসিনের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি এ তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন চারটি কেন্দ্রে নগরের বিভিন্ন স্কুলের মোট ৬ শত শিক্ষার্থীদের এ টিকা প্রদান করা হবে।

কেন্দ্রগুলো হলো, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ব্লু-বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পুলিশ লাইনস উচ্চ বিদ্যালয়।
এর আগে গত ১৪ অক্টোবর ঢাকা বিভাগের মানিকগঞ্জ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ১২০ স্কুল শিক্ষার্থীর মধ্যে ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। এসব শিক্ষার্থী কোনো সমস্যায় না পড়ায় পরবর্তীতে সারাদেশের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকার।

এরই ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) গত ১৭ অক্টোবর মাধ্যমিকের স্কুল শিক্ষার্থীদের তথ্য চায়। পরে গত নভেম্বরের শুরুতে ১ লাখ ৭০ হাজার স্কুল শিক্ষার্থীর তথ্য পাঠায় সিলেট জেলা শিক্ষা অফিস।

সিলেট জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, তথ্য পাঠালেও এসব শিক্ষার্থীকে তখন ভ্যাকসিনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় রাখতে হয়। এজন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকতে হয়। কিন্তু সিলেটের স্কুলগুলোতে এই ব্যবস্থা না থাকায় ভ্যাকসিন প্রদান গতি পায়নি। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে ভ্যাকসিনের নিবন্ধন করতে গিয়েও সমস্যায় পড়ে। কেননা, অনেক শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন সনদই অনলাইনে ছিল না।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আগামী সোমবার সিলেট নগরের চারটি প্রতিষ্ঠানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া জন্মনিবন্ধন সনদের বাধ্যবাধকতাও এখন তুলে দেওয়া হয়েছে। এ চারটি স্কুলে অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে।
সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার থেকে স্কুল শিক্ষার্থীদের ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। চারটি স্কুলে প্রতিদিন ৬০০ করে ২ হাজার ৪শ ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কেন্দ্রগুলোতে আমাদের লোকবল থাকবে। মহানগরীর ২৫ হাজার ৩ শত ৯৪ শিক্ষার্থীকে প্রথম ধাপে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। আমরা ভ্যাকসিন সরবরাহ করবো।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.