এইমাত্র পাওয়া

কতটুকু পড়াশোনা করেছেন তাহেরী?

খাবেন?’ ‘ঢেলে দেই?’ ‘ভাই পরিবেশটা সুন্দর না?’ ‘কোনো হইচই আছে?’ এই শব্দগুলো এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। নেটিজেনরা ছবি পোস্ট করলেই এসব ক্যাপশন দিচ্ছেন। বাংলাদেশের ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম ঘাঁটলেই এমনটা দেখা যাচ্ছে। এ বাক্য চারটির বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরী।

তাহেরী জানান, তিনি চাঁদপুরের চাপুইর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে আলিম এবং ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ফাজিল এবং কামিল পাস করেছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরী বলেন, ওলামায়ে কেরাম কিন্তু আমার কথাগুলোকে অন্যচোখে দেখেনি। দেখেছে একজন সাধারণ মানুষ। অবশ্যই সে অন্য মতাদর্শের হতে পারে।

তিনি বলেন, একজন ওলামায়ে কেরাম যদি এ মামলার বাদি হয়ে মামলা করতো তাহলে আমি বুঝতাম, ওলামায়ে কেরামরা এ শব্দগুলো আড়চোখে দেখে।

ওলামায়ে কেরামরা ধর্ম বুঝে, কোরআন সুন্নাহর কথাগুলোর গভীরতা বুঝে। আর আমরা সাধারণ যারা আছি তাদেরকে ফলো করি এবং আমরা নিজেরাও অনেক সময় গবেষণা করে দেখি, বলেন তাহেরী।

তিনি বলেন, আমার ওস্তাদরা একটাই পরামর্শ দিতেন। তা হল, কোরআন-সুন্নাহর আলোকেই কোরআন-সুন্নাহর কথাগুলো বলা।

তাহেরী বলেন, পথ চলতে গেলে অনেক কথা হতেই পারে। সব কথার দলিল খুঁজলে চলবে না। বাস্তব জীবনের কিছু কথা আছে পথ চলতে বলতে হয়। যদি বলেন দলিল দেন, আমি দলিল দিতে পারব?

তিনি আরও বলেন, সেজন্য এগুলো নিয়ে আমি শঙ্কিত নই। আমার ওস্তাদরা বলেছেন, গভীরতা রেখে এগিয়ে যেতে হবে। যারা তোমার ব্যাপারে আপত্তি জানাচ্ছে এটা প্রতিহিংসা। তুমি চালিয়ে যাও। আর আমিও চালিয়ে যাচ্ছি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading