নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বন্ধে দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন করতে গণমাধ্যমকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এদিকে সুপ্রীমকোর্টে যৌন হয়রানিসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ, প্রাপ্ত অভিযোগ অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২০০৯ সালের হাইকোর্টের রায়ের আলোকে স¤প্রতি এ কমিটি করে সুপ্রীমকোর্ট প্রশাসন।
দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বন্ধে দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এমন পরামর্শ দেন। আদালতে বøাস্টের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম ও শারমিন আক্তার।
পরে শারমিন আক্তার বলেন, ‘এ রুলের শুনানি শেষে আদালত কিছু মতামত দিয়েছেন। সেগুলো হচ্ছে- সারাদেশের শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতন বন্ধে সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশে আইন থাকার পরেও শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বন্ধ করতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, উপজেলা মনিটরিং কমিটি (যদি থাকে), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এসব নির্যাতনের অভিযোগ দ্রæত নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।’একইসঙ্গে নির্যাতনকারীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা এবং শাস্তি নিশ্চিত করা হলে তা মিডিয়ায় প্রচারের জন্যও পরামর্শ দিয়েছেন আদালত। এতে করে যেন সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় বলে মন্তব্য করেছেন আদালত।
এর আগে ২০১৮ সালে কুমিল্লার বিপুলসার হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নোমান হোসেনকে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক এমদাদ হোসেন শারীরিক নির্যাতন করেন। পরে সে ঘটনায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম। একইসঙ্গে এ ঘটনায় আদালতে পক্ষভুক্ত হয় বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (বøাস্ট)। সেই রিটের শুনানি নিয়ে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের হাতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত।
সুপ্রীমকোর্টে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি ॥ সুপ্রীমকোর্টে যৌন হয়রানিসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ, প্রাপ্ত অভিযোগ অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২০০৯ সালের হাইকোর্টের রায়ের আলোকে স¤প্রতি এ কমিটি করে সুপ্রীমকোর্ট প্রশাসন।
কমিটির সভাপতি করা হয়েছে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথকে। সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কাজী জিনাত হক, আপীল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোঃ বদরুল আলম ভূঞা, সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী ফৌজিয়া করিম ও তামান্না ফেরদৌসকে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
