নিজস্ব প্রতিবেদক।।
আদৌও তিনি প্রথম একাদশে থাকবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। আর সেই তিনিই আইপিএলের এলিমিনেটরে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) জেতালেন। তিনি আর কেউ নন, বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সেইসাথে যেন নাইট ম্যানেজমেন্টকে বার্তা দিলেন, ক্ষমতা থাকলে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে দেখাও।
সোমবার আইপিএলের এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে সাকিব যখন নেমেছিলেন, তখন ১৩ রান বাকি ছিল। হাতে ছিল ১৪ বল এবং চার উইকেট। রানটা বড় না হলেও বেশ চাপে ছিল কেকেআর। সেই ওভারেই জোড়া উইকেট হারিয়েছিলেন নাইটরা। সেখান থেকে নিজের যাবতীয় অভিজ্ঞতা কাজে লাগান সাকিব। প্রথম বলেই এক রান নেন। বড় শট না খেলে এক রান নিয়ে দলকে টানতে থাকেন। শেষ ওভারে সাত রান বাকি থাকা অবস্থায় শর্ট ফাইন লেগের উপর দিকে স্কুপ মেরে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দেন বল। তারপরই হাতের মুঠোয় ম্যাচ পুরে নেয় কেকেআর। জয়সূচক রানও নেন সাকিব। শেষপর্যন্ত ছয় বলে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার।
শুধু ব্যাট হাতে নয়, বল হাতেও ভালো পারফরম্যান্স করেন সাকিব। বিরাট কোহলিদের বিরুদ্ধে শুরুতেই বোলিং শুরু করেন। শেষপর্যন্ত উইকেট না পেলেও চার ওভারে মাত্র ২৪ রান দেন। তার বোলিংয়ের প্রশংসা করেন বিরাটও। ম্যাচের পর বিরাট জানান, শুধু সুনীল নারিন নন, বরুণ চক্রবর্তী ও সাকিবও দারুণ বল করেছেন।
সেই সার্বিক পারফরম্যান্সের পর একাংশের বক্তব্য, সাকিব আবারও বুঝিয়ে দিলেন যে কেন তিনি যেকোনো দলের কাছে অপরিহার্য সম্পদ। অথচ তাকে প্রথম একাদশে নেয়া হচ্ছিল না। বিশেষত বিরাটদের বিরুদ্ধে সাকিব যে চার মারেন, তা যেন ২০১২ সালের আইপিএল ফাইনালের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
