প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে চীন। তীব্র প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমানোর সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। সোমবার বিবিসির প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।
চীনের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রতি শ্রেণিতেই পরীক্ষা দিতে আসছে। তবে পড়াশুনার এই চাপ শিক্ষার্থীদের ‘শরীরিক ও মানসিক’ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলে জানিয়েছেন দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরীক্ষা শিক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ….(কিন্তু) কোনো কোনো বিদ্যালয় মাত্রাতিরিক্ত পরীক্ষা চাপিয়ে দেয়, যা শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে…. এ অবস্থার সংশোধন হওয়া দরকার।
এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কোনো লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার দরকার নেই। অন্যান্য শ্রেণিতে প্রতি সেমিস্টারে একটা চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া হবে। জুনিয়ার হাই স্কুলে নেওয়া হবে মিড-টার্ম পরীক্ষা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য কোনো আন্তঃস্কুল কিংবা আঞ্চলিক পর্যায়ে পরীক্ষার আয়োজনেরও অনুমতি দেওয়া হবে না।
জুনিয়ার হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের কোনো সাপ্তাহিক বা মাসিক পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। এমনকি অ্যাকামেডিক রিসার্চ বা অন্য কোনো নামের আড়ালেও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
