ভোগান্তির যেন শেষ নেই

নিউজ ডেস্ক।।

একদিনের জন্য গণপরিবহন চালু হলেও তাতে নেই কোন স্বাস্থ্যবিধির বালাই। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দুই সিটে একজন যাত্রী পরিবহনের কথা থাকলেও অনেক বাসেই গাদাগাদি করে বসানো হয়েছে যাত্রী। সবকটি বাসই যাত্রী পূর্ণ করে রাজধানীতে ঢুকছে। এসব নজরদারির জন্য সংশ্লিষ্ট কারও তৎপরতা চোখে পড়েনি। চালু হতে না হতেই শুরু হয়েছে গণপরিবহনে নৈরাজ্য। যাত্রী পূর্ণ না হলে কোন বাস ছাড়ছে না।

আরিচা ঘাট থেকে কিংবা সাভার-মানিকগঞ্জ থেকে যে সব গাড়ি রাজধানীতে ঢুকছে সেগুলোর সব সিটে যাত্রী বসা। এছাড়া বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বাসগুলোতে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে দ্বিগুণ আবার যাত্রীও নেয়া হচ্ছে সব সিটে। তাছাড়া অনেকে ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন যানবাহনে করে রাজধানীতে আসছেন। যাতায়াতে ভোগান্তির শেষ নেই তাদের।

রংপুর থেকে শামীম রাজধানীতে এসেছেন পিকআপ ভ্যানে করে । তিনি জানান, মেসেজ দেওয়া হয়েছে আজ গার্মেন্টস খোলা, কাজে যোগ দেওয়ার জন্য। তবে যোগ দেওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে তিনি জানান, কাজে যোগ না দিলে তো আমাদের অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য করা হবে। সেজন্য কষ্ট হলেও ভোগান্তি মাথায় রেখে বেশি ভাড়া দিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছি।

পাবনা থেকে আরিচা ঘাট পর্যন্ত ট্রাকে এসেছেন ইলিয়াস হোসেন। আরিচা ঘাট পার হয়ে সেলফি পরিবহনে এসেছেন গাবতলী। তিনি জানান, অন্য সময় ঘাট থেকে গাবতলী পর্যন্ত আসতে ১০০ টাকা লাগতো। আজ লেগেছে ২০০ টাকা। তার উপর বাসের সব সিটে ছিলো যাত্রী।

দুই সিটে একজন যাত্রী বসার কথা থাকলেও মানছেন না কেন‑ এমন প্রশ্নের জবাবে প্রত্যয় পরিবহনের চালক আলম দোষ চাপান যাত্রীদের উপর। তিনি বলেন, যাত্রীরা যদি ওঠে তাহলে আমি কি করবো।

এছাড়া দূরপাল্লার যেসব পরিবহন গাবতলী দিয়ে রাজধানীতে ঢুকতে দেখা গেছে, সেগুলোর অধিকাংশ বাসে দুই সিটে একজন যাত্রী পরিবহন করতে দেখা যাচ্ছে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.