এইমাত্র পাওয়া

৬০ কোটি শিক্ষার্থীর কি হবে ?

নিউজ ডেস্ক।।

করোনা মহামারীর কারণে বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই এখনো বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। এ সময়ে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও তা খুব একটা ফলপ্রসূ হচ্ছে না। উল্টো ঘরবন্দি থাকতে থাকতে শিক্ষার্থী, বিশেষ করে শিশুরা মানসিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক তহবিল ইউসিফে বলছে, চলমান মহামারীতে স্কুল বন্ধ থাকায় বিশ্বের অন্তত ৬০ কোটি শিশুর শিক্ষা জীবন অচল হয়ে পড়েছে। এ করোনা মহামারী যেহেতু

সহজে যাবে না, তাই এভাবে চলতে পারে না। সে জন্য যত দ্রুত সম্ভব স্কুলগুলো খুলে দিতে বিভিন্ন দেশের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। গত মঙ্গলবার জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এলডার এসব কথা বলেন বলে জানায় এএফপি।

ইউনিসেফ বলছে, মহামারীর কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তত ৮ কোটি শিশুর কাছে স্কুল বন্ধ থাকাকালে দূরবর্তী শিক্ষার অ্যাক্সেস ছিল না। জেমস এলডার বলেন, বিভিন্ন দেশের সরকার কোভিড-১৯ সংকট মোকাবিলা এবং এর বিস্তার যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখতে পদক্ষেপ নিয়েছে। তা সত্ত্বেও সব কিছুর মধ্যে সবার শেষে স্কুল বন্ধ করা উচিত এবং সব কিছুর আগে উচিত স্কুল খুলে দেওয়া। তিনি স্কুল খুলে দেওয়ার আগে বিভিন্ন দেশে বার এবং পাবগুলো খুলে দেওয়ায় সরকারগুলোর মারাত্মক সমালোচনা করেন। এলডার বলেন, সব শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া পর্যন্ত স্কুল খোলার জন্য অপেক্ষা করা যাবে না। মহামারীতে অর্থনৈতিক কঠিন অবস্থা সত্ত্বেও সরকারগুলোকে তাদের শিক্ষাবিষয়ক বাজেট সুরক্ষিত রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে করোনায় বিপর্যস্ত ভারতে সংক্রমণের হার কমে আসায় প্রাথমিক স্কুলগুলো খুলে দিতে সুপারিশ করেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)। আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, গত মঙ্গলবার আইসিএমআরের পক্ষ থেকে বলা হয়, শিশুরা ভালোভাবে ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলা করতে পারে। তাদের শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাই প্রাথমিক স্কুলগুলো খুলে দেওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.