নিজস্ব প্রতিবেদক।।
যশোরে চলমান লকডাউনে হোটেল, রেস্টুরেন্টসহ খাবারের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ছিন্নমূল-অভাবী মানুষের পাশাপাশি বেওয়ারিশ কুকুরগুলোর খাবার সংগ্রহ করা কঠিন হয়েছে পড়েছে। অনহারে তাদের দিন পার করতে হচ্ছে। স্বাভাবিক অবস্থার মতো কেউ তাদের খাবার দিচ্ছেন না। তাদের কথা চিন্তা করে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন শহরের চার খাম্বার বাসিন্দা খবির শিকদারের দুই মেয়ে। তারা বিকেএসপির শিক্ষার্থী। পারিবারিকভাবে খাবার রান্না করে তারা শহরের বিভিন্ন মোড়ে বিতরণ করছে।
মঙ্গলবার থেকে বাইসাইকেযোগে রান্না করা খাবার বিতরণ করা শুরু করেছে তারা। দুই দিনে চার খাম্বা, রেলস্টেশন, আশ্রম মোড় ও টিবি ক্লিনিক এলাকায় ১৫০ জন ছিন্নমূল মানুষ ও ৮০টি বেওয়ারিস কুকুরকে খাবার দেয়া হয়েছে।
এ কাজে তাদের সহযোগিতা করছেন তাদের বাবা খবির শিকদার ও মা ফিরোজা খাতুন। এই মহান কাজের উদ্যোক্তা সুমাইয়া শিকদার ইলা ও তার ছোট বোন সুরাইয়া শিকদার এশা। সপ্তাহব্যাপী এই মহৎ কাজ তারা চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে।
তাদের বাবা খবির শিকদার জানান, যশোরে করোনাভাইরাস উদ্বেগজনকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই সরকারিভাবে কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খাবার হোটেলসহ কোনো মার্কেট বন্ধ রয়েছে। সাধারণ মানুষকে ঘরের বাইরে বের হতে দেয়া হচ্ছে না। তাই ভাসমান মানুষ ও কুকুরের খাবার নিয়ে তার দুই মেয়ে বেশ চিন্তিত, উদ্বিগ্ন। এজন্য তাদের উদ্যোগেই মূলত সপ্তাহব্যাপী খাবার দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
খবির শিকদার ও তার স্ত্রী মেয়েদের সমর্থন করছেন। তাদের মা ডিম-খিচুড়ি রান্না করে দিচ্ছেন। দুই মেয়েকে সাথে নিয়ে বাবা বাইসাইকেলে করে খাবার বিতরণ করছেন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
