দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি।।
কুষ্টিয়ায় করোনা ভাইরাস ভয়াবহ রুপ নেওয়াতে গত রবিবার রাত ১২ টা থেকে সাত দিন কঠোর লকডাউন ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসন।
এদিকে দৌলতপুর উপজেলা ভারত সিমান্তে অবস্থিত প্রায় ৪৭ কিলোমিটার সিমান্ত পড়েছে দৌলতপুরে। তার ভিতরে আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নে ধর্মদহ সিমান্তের প্রায় ১৭ কিলোমিটার এলাকা কাটা তারের কোন বেড়া না থাকাই ঝুকিতে আছে দৌলতপুর উপজেলা।
দৌলতপুর উপজেলাকে মহামারীর হাত থেকে বাঁচাতে রবিবার দুপুরে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয় সভায় উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া ১ দৌলতপুর আসনের সংসদসদস্য আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদ মামুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর টি এই ও ডা.তুহিন, থানা অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন,সকল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, দৌলতপুর কর্মরত বিভিন্ন মিডিয়া সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
এ সময় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় জেলা প্রশাসন ঘোষিত যে কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের সাথে মানুষকে বাঁচাতে এক যোগে কাজ করবেন জনপ্রতিনিধিরা।কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা চেয়ারম্যান ছাড়া মাঠে নেই কোন জনপ্রতিনিধি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার ও উপজেলা চেয়ারম্যান মানুষকে সচেতন করতে ও লকডাউন বাস্তবায়ন করতে লকডাউনের প্রথম দিন থেকে আজ দ্বিতীয় দিন কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে।
এ দিকে সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যাদের এই সময় জনগনের পাশে থাকার কথা তারা ঘরে বসে আছেন। উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি যদি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানগণ প্রতিটা ইউনিয়নে ৯ জন গ্রাম পুলিশকে দায়িত্ব পালনের কাজে লাগায় তাহলে লকডাউন বাস্তবায়নে খুব একটা বেগ পেতে হবেনা।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
