অনলাইন ডেস্ক :
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সভাপতির কক্ষ সংলগ্ন একটি বিশ্রাম কক্ষ (খাস কামরা) নিয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। তারা ওই কক্ষটিকে যৌন হয়ারানির কক্ষ অভিহিত করে তা অবিলম্বে সরিয়ে ফেলার দাবি জানান।
মঙ্গলবার দুপুরে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ওই বিক্ষোভ করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই কামরার খাটসহ আসবাবপত্র বের করে দেয়।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সভাপতির অফিস কক্ষ সংলগ্ন একটি ছোট কক্ষের সন্ধান পান তারা। ওই কক্ষে খাট পেতে খাস কামরা তৈরি করা হয়েছে এবং এটি যৌন হয়রানির জন্য করা হয়েছে-এমন অভিযোগও করেন তারা। এ বিষয়টি পরে পুরো ক্যাম্পাসে জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
পাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ চৌধুরী আসিফ বলেন, অফিস কক্ষে এ ধরনের খাস কামরার কী প্রয়োজন তা আমার বোধগম্য নয়। নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হেনস্থার মতো স্পর্শকাতর বিষয় আছে কিনা-তা অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে দেখার দাবি করছি।
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সভাপতি ড. আমিরুল ইসলাম বলেন, নৈশ ও নিয়মিত ক্লাসের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়ার জন্যে ক্যাম্পাসে শিক্ষকদের দীর্ঘসময় অবস্থান করার কারণে পূর্বের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বিশ্রাম কক্ষ তৈরী করেন। যা শুধুমাত্র বিশ্রামের জন্যেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সাবেক সভাপতি ড. কামরুজ্জামান বলেন, প্রশ্নপত্র প্রণয়সহ বিভিন্ন কাজের জন্যে কক্ষটি তৈরী করা হয়েছিল। অন্য কোনো কারণে নয়। একটি মহল উদ্দেশ্যমূলক ছাত্রদের দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করে নোংরামি করার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে পাবিপ্রবির প্রক্টর ড. প্রীতম কুমার দাস বলেন, দুপুরে ভিসি স্যারের সাথে ভর্তি বিষয়ে সভা করার সময় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের খবর পেয়ে ওই বিভাগে যাই। ওই বিভাগের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষকরা জানিয়েছেন, শুধুমাত্র বিশ্রামের জন্যই ওই কক্ষ করা হয়েছে। পরে ওই কক্ষ থেকে আমরা খাটসহ আসবাবপত্র বের করে দিয়েছি। অন্য কিছু আছে কিনা- সে ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
সূত্র : বিডি জার্নাল
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
