অনলাইন ডেস্ক ||
ঐতিহাসিকভাবে সত্য, প্রিয় নবী (সা.)-এর জীবদ্দশায় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার শুরু হয়। সাহাবি, পীর-দরবেশের দাওয়াতি মেহনতে এ অঞ্চলের মানুষ হয়ে ওঠে গুণে-মানে অনন্য। আর দিল্লিকেন্দ্রিক মুসলিম শাসনের গোড়াপত্তন মধ্যযুগীয় তুর্কি শাসক কুতুবুদ্দিন আইবেকের নেতৃত্বে।
প্রথম মুসলিম সুলতান বিজয়স্মারক হিসেবে দিল্লিতে গড়ে তোলেন মুসলমানদের প্রথম স্থাপত্য নিদর্শন কুওয়াতুল ইসলাম মসজিদ (ইসলামের শক্তিকেন্দ্র)। আজানের ধ্বনি দূর-বহুদুরে পৌঁছাতে ইট-পাথরের গাঁথুনিতে তৈরি হয় বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনার।
উপমহাদেশের বিশিষ্ট সুফি সাধক কুতুবুল আফতাব খাজা সৈয়দ মুহাম্মদ কুতুব উদ্দিন বখতিয়ার কাকি (রহ.) [জন্ম ১১৭৩ হি. মৃত্যু ১২৩৫ হি.]-এর নামে নামকরণ হয় কুতুব মিনার।
হুত্ববাদী চেতনার লীলাভূমিতে সাম্য-মানবতা, একত্ববাদের অনিন্দ্য সৌন্দর্যের রূপায়ণ বোঝাতে শিলালিপিতে আছে—‘সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর ছায়া পূর্ব থেকে পশ্চিমে ফেলার জন্যই এ মিনার নির্মাণ করা হয়।’ কুতুব মিনারের আশপাশের প্রাচীন স্থাপত্য ও ধ্বংসাবশেষের মধ্যে আছে কুওয়াতুল ইসলাম মসজিদ।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
