অনলাইন ডেস্ক ||
যশোরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য জেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে নির্দেশ দিয়েছে স্ব স্ব অধিদপ্তর। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে ২০ মার্চের মধ্যে প্রাথমিকের সকল শিক্ষককে টিকা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন মহাপরিচালক। প্রাক প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে আজ শনিবার যশোরে আসছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মুনসুরুল আলম।
আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরের কর্মকর্তারা পৃথক সভা করেছেন। গত মঙ্গলবার ঢাকায় সারাদেশের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা করেছেন মহাপরিচালক। একইভাবে জেলা শিক্ষা অফিসাররাও দফায় দফায় সভা করছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খোলার বিষয়ে আজ শনিবার মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মুনসুরুল আলম যশোর পিটিআইতে এক সভা করবেন। সভায় খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক, সকল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি হিসেবে সব ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রস্তুত রাখার কথা বলেছে কর্তৃপক্ষ। একইসাথে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ মাঠ পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাদের স্কুলগুলোর সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা। একইসাথে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকেও দু’জন করে কর্মকর্তা বিভিন্ন জেলা পর্যবেক্ষণ করবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।
যশোরে আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। করোনাকালীন শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন শীর্ষক এ সভা জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। ওই সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাম্মী ইসলাম, জেলা শিক্ষা অফিসার এএসএম আব্দুল খালেক, সকল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোলাম আজম,সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন শারমিন সুলতানা, শংকরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বুলবুল, ঝিকরগাছা বিএম হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ প্রমুখ। এর আগে জেলা শিক্ষা অফিসার এএসএম আব্দুল খালেক একাধিকবার জুমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে নিয়ে সভা করেছেন।
এদিকে, জেলা পর্যায়ের একাধিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, করোনা নতুন করে যেভাবে বাড়ছে তাতে করে ঈদের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা দিন দিন কমে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে শিক্ষামন্ত্রীও তেমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তারপরও প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে হবে। যাতে করে নির্দেশ দেয়ার সাথে সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যায়।
এ বিষয়ে যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার এএসএম আব্দুল খালেক বলেন,‘প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে বারবার সভা করা হচ্ছে। ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে কাজ চলছে।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম বলেন,‘অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত সভা থেকে ৩০ তারিখে স্কুল খোলার বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আগামীকাল (আজ শনিবার) এ বিষয়ে কথা বলতে যশোরে আসছেন ডিজি স্যার। আমরা পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে আছি।’
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
