খাঁটি মধু চিনতে

নিউজ ডেস্ক।।

মধু তৈরির বিভিন্ন ব্র্যান্ডগুলো খাঁটি মধু বিক্রয় করে কিনা তা নিয়ে প্রায়শই বিতর্ক হয়। অনেক সংবাদপত্র জানিয়েছে যে দেশের বৃহত্তম ব্র্যান্ডগুলো শুদ্ধি পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। যদিও এই বিষয়টি এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত না। তবে মধু খাওয়ার আগে মধুর বিশুদ্ধতা যাচাই করা জরুরী। মধু খাঁটি নাকি ভেজাল তা বেশ কয়েকটি উপায়ে পরীক্ষা করতে পারেন।

যেভাবে মধুর বিশুদ্ধতা যাচাই করবেন-

১. যখন খাঁটি মধু ফ্রিজে রাখবেন তখন এটি স্ফটিক হবে না। খাঁটি মধু ফ্রিজে থাকলেও তরল অবস্থায় থাকবে। তবে ভেজাল মধুর ক্ষেত্রে মধু ঘন ও স্ফটিক হবে। এছাড়াও অপরিশোধিত মধুর উপরে চিনির একটি সাদা স্তর পরে।

২. যে সব মধু ঝাঁকালে সাদা ফেনা তৈরি হবে সেটি খাঁটি মধুর লক্ষণ। রাসায়নিক সংরক্ষণকের উপস্থিতি ছাড়াই এটি হয়।

৩. মধুতে একটি কাঠি ডুবিয়ে রাখুন এবং এটি যখন জ্বালাবেন তখন তা সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যাবে। যদি আগুন না ধরে তবে সেটি ভেজাল মধুর লক্ষণ।

৪. ভিনেগার এবং মধুর মিশ্রণ খাঁটি মধু থেকে ভেজাল মধু আলাদা করার জন্য একটি সহজ হ্যাক হতে পারে। এই পরীক্ষাটি করতে ভিনেগার পানিতে মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে দেখুন। যদি মিশ্রণটিতে ফেনা ওঠে তবে তা খাঁটি মধু নয়।

৫. তবে সুন্দরবনের মধু উচ্চ আর্দ্রতার কারণে পাতলা হয়। মধুর ঘনত্ব নির্ধারণে আবহাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুষ্ক ও ঠান্ডা আবহাওয়ায় মধু ঘন হয়। তবে আর্দ্র আবহাওয়ার ক্ষেত্রে এটি পাতলা হয়। যেহেতু ম্যানগ্রোভ বন পানির নীচে থাকে তাই প্রচুর আর্দ্রতা শুষে নেয় যা মধুকে পাতলা করে তোলে। তাই সুন্দরবনের মধু সর্বদা পাতলা এবং তরল হয়।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.