ফেব্রুয়ারি থেকে ঘরে বসে খোলা যাবে বিও অ্যাকাউন্ট

 নিজস্ব প্রতিনিধি।।

এখন থেকে ঘরে বসে স্মার্টফোনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বেনিফিসিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে। এ জন্য ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকে যেতে হবে না। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় বিও অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতাও কমিয়ে আনা হবে। বর্তমানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বিও খোলার ফরমে বহু তথ্য দিতে হয়।

শুরুতে অন্তত প্রধান ১০ ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংক এ সুবিধা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সূত্র জানায়, ওয়েবভিত্তিক বিও খোলার ব্যবস্থা যেসব প্রতিষ্ঠান করতে পারবে, সেগুলোকে নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।

বর্তমানে বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে আগ্রহী ব্যক্তিকে ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকে যেতে হয়। বিএসইসি চাইছে, এমন ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা যাতে ১৮ বছরের বেশি বয়সী যে কোনো ব্যক্তি চাইলে ঘরে বসে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ চলছে। সফটওয়্যারটি চালু হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআরবি বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে সশরীরে ব্রোকারেজ হাউসে উপস্থিতির জটিলতা দূর হবে।

বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) রেজাউল করিম সমকালকে বলেন, শেয়ারবাজারকে পুরোপুরি ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ এটি। এ পদ্ধতির ক্ষেত্রে বিও অ্যাকাউন্ট খোলার ফরমে ডিজিটাল স্বাক্ষর করবেন বিনিয়োগকারীরা। তার সই ও অন্যান্য তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের সরকারি ডাটা সার্ভার থেকে যাচাই করে নেওয়া হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে অনলাইনে আবেদনের আধা ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকাউন্ট চালু হবে।

এ সুবিধা চালু হলে দেশের যেসব অঞ্চলে ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের শাখা নেই, সেখানকার মানুষের সহজে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। এখন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ আছে। এছাড়া ব্যাংক থেকে অনলাইনে ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকে টাকা স্থানান্তরের সুযোগ আছে। ফলে চাইলে যে কোনো জায়গা থেকে শেয়ারে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

এদিকে বিও খোলার ফরমে অপ্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও ডিজিটাল পদ্ধতির ক্ষেত্রে কমিয়ে আনা হবে। এক্ষেত্রে আগ্রহী ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। শেয়ারের মালিকানা নির্ধারণে ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে এ তথ্য নেওয়া হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.