মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ।।
সম্প্রতি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন থেকে ‘অবসর-কল্যাণে’র জন্য এমপিওর ১০% কর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের ভবিষ্যত ও বৃহত্তর কল্যাণ বিবেচনায় রাষ্ট্রীয় এসিদ্ধান্ত খুবই ইতিবাচক ও সাহসী এবং অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে কেনো যেন, লালনের উপলব্ধির উচ্চারণ মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও লালনের প্রসঙ্গ ভিন্ন, তবু তাঁর কালজয়ী অবস্থান আমাদের মতো এমপিওভুক্তদের জীবনে প্রাসঙ্গিক:
এমপিওর ১০% কর্তন যেন:
‘বাকির লোভে নগদ পাওনা
কে ছাড়ে এই ভুবনে—
কথাগুলো বলছি এজন্য যে, ২০১৫ বেতনস্কেলের নিদের্শনায় রয়েছে বৎসরান্তে জুলাই মাসে জাতীয় বেতনস্কেলভুক্তগণ ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি সুবিধা পাবেন, যা চক্রবৃদ্ধি হারে অব্যহত থাকবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে ২০% বৈশাখিভাতা চালু হয়। অথচ জাতীয় বেতনস্কেলভুক্ত সবাই সুবিধা দু’টি পেলেও শুধু এমপিওভুক্তগণ বঞ্চিত ছিলেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি চরম আন্তরিকতা নিয়ে এমপিওভুক্তদের বহুল প্রত্যাশিত ৫% বাস্তবায়ন করলেন, তিনি আমাদের জন্য সরকারি চাকুরিজীবীর অনুরূপ বৈশাখীভাতার ঘোষণাও দিয়েছেন। তিনি এমপিওভুক্তদের অবসর ও কল্যাণভাতা পেতে যেন বিলম্ব না হয় এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দও করেছেন। ফলে ভোগান্তিও কমেছে অনেক।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় আনন্দ-উদ্দেলিতক্ষণে আমরা শিক্ষক সমাজ দারুণভাবে মর্মাহত হয়েছি, যখন মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে এমপিওভুক্তদের অবসর ও কল্যাণের চাঁদা ৬% থেকে ১০% এ বর্দ্ধিত করে কর্তন কার্যকরের নির্দেশনা দেওয়া হয়। অথচ এমন হবার কথা নয়। নতুন করে বর্ধিত ৪% কর্তনের বিশেষ কোনো কারণ ও যৌক্তিকতা খুঁজে পাচ্ছি না। তবে তো বিষয়টি এমন দাঁড়ালো, ৫% দিয়েই ৪% কর্তন!
১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বেসরকারি মাধ্যমিক ০৩, ১৭.১২.২০৮খ্রি.’র নং ৭.০০.০০০০.০৭৪.০০২.২০১৬.৫১৫, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের বর্ধিত চাঁদার হার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতেও অবসর সুবিধার ৪% থেকে ৬%, কল্যাণের ২% থেকে ৪% উন্নীতকরণ সংক্রান্ত ১৯.০৪.১৭’র এসআরও ০১ জানুয়ারি ২০১৯ হতে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছিল।
তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আমরা জেনেছিলাম, ঐবিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে বলা হয়: ‘অবসর, কল্যাণের চাঁদার হার বাড়ছে না’।
অন্যদিকে যাদের ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ তাদের নানান হাহাকারের মধ্যে এমপিওভুক্তদের বেতন থেকে বর্দ্ধিত হারে অর্থকর্তনের সিদ্ধান্ত ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ তুল্য! এমপিওভুক্তগণ পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ও উৎসব ভাতা পান না। তারা পদোন্নতি, সেচ্ছাঅবসর, বদলি সুবিধা, গৃহঋণসহ অসংখ্য বঞ্চনার শিকার। তারা সবাই ১০০০/= বাড়িভাড়া, চিকিৎসাভাতা ৫০০/= পান, যা নিতান্তই অপ্রতুল। তাদের পক্ষে বাজার মূল্যের সঙ্গে তাল সামলানো কঠিন। বছরে অল্প বিরতিতে যখন তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের দাম বাড়ে, সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ে পরিবহন ব্যয়, বাড়ে বাড়িভাড়া, দৈনন্দিন ওষুধপাতির দাম, কাজের লোকের বেতন ও অন্যান্য খরচ। এমন পরিস্থিতিতে আমরা সীমিত আয়ের মানুষের জীবন দিনে দিনে হয়ে ওঠে কঠিনতর। দৈনন্দিন ব্যয় সামালে নিজের চিকিৎসা, সমাজিকতাসহ অনেক বিষয়ে থাকতে হয় অসহায় ও উদাসীন।
রূঢ়সত্য, মানুষ গড়ার কারিগরকে এমপিওভুক্তির নামে দেওয়া হয় ‘অনুদান’। অথচ দেশ এখন ঝউএ (টেকসই উন্নয়ণ লক্ষমাত্রা) অর্জনের পথে এবং মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় নাম লেখাতে যাচ্ছে। কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষকবৃন্দের যাপিতজীবনের পরতে পরতে না পাবার, না হবার জ্বালাময় হাহাকার। তাই তো এমপিওভুক্ত শিক্ষকবৃন্দের কখনো শিক্ষা জাতীয়করণের দাবি। কখনো জাতীয়করণ আত্মীকরণ দ্ব›দ্ব, ক্যাডার ও নন-ক্যাডার প্রসঙ্গ। কখনো অনার্স-মাস্টার্সের শিক্ষকের এমপিওভুক্তি। কখনো নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি। কখনো প্রভাষকদের টাইমস্কেল প্রাপ্তিতে বৈষম্য ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা ওঠে। আবার এমপিওভুক্তদের মধ্যেও আছে বঞ্চনার দীর্ঘ আখ্যান। আছে, মাদ্রাসা শিক্ষকদের কষ্টের দীর্ঘশ্বাস। এসব বিবেচনায় সবার চাওয়া: অন্যান্য পেশাজীবীর মতোই তাদের শ্রমের মূল্য ও জীবনধারনের নূনঃতম অধিকারের স্বীকৃতি। এজন্যই প্রয়োজন একঘোষণায় ‘শিক্ষা জাতীয়করণ’।
আশার কথা, জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ‘গ্রাম হবে শহর’। দেশ এখন উন্নয়নশীল স্তরে পৌঁছলেও গ্রাম-শহর, সরকারি ও বেসরকারি খাতে শিক্ষাক্ষেত্রে যে বৈষম্য তা এখন কাম্য নয়। বাস্তবে দেখা যায়, বেসরকারি পর্যায়ে শিক্ষার্থীর ব্যয় বেশি অথচ শিক্ষকের বেতন কম। আর সরকারি পর্যায়ে শিক্ষার্থীর ব্যয় কম শিক্ষকের বেতন বেশি। এটাই সম্ভবত আমাদের শিক্ষার মান উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। এজন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার সব প্রয়াস বৃহত্তর শিক্ষক সমাজের কল্যাণে নিবেদিত।
আমরা জানি, প্রজাতন্ত্রের সব চাকুরিজীবীর মতো এমপিওভুক্তদের অবসরকালীন সুবিধা জরুরি। এজন্যই চালু হয় অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্ট। যদিও পেনশন তহবিল হয় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে। অর্থাৎ চাকরিজীবী ও নিয়োগ কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এ তহবিলে অর্থ জোগান দেন, এর পরিমাণ হতে পারে চাকরিজীবীর মূল বেতনের শতকরা একটি নির্দিষ্ট ভাগ। অন্যদিকে, সমপরিমাণ টাকা দেন নিয়োগ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এমপিওভুক্তদের জন্য ২০০২ সালে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্ট গঠিত হয়। এতে নিয়ম হলো, একজন শিক্ষক তার সর্বশেষ বেতনস্কেল অনুযায়ী প্রারম্ভিক বেতনের সর্বোচ্চ ৭৫ মাস সমপরিমাণ এককালীন সুবিধা পেয়ে থাকেন। এসুবিধাটি নিশ্চতকরণের জন্যই ৬% কর্তনের রীতি প্রচলিত। এখন যদি মূলবেতনের ১০% কর্তন হয়, তবুও কি সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নতুন করে বাড়তি কিছু যুক্ত হবে? নতুনভাবে যুক্ত হওয়া ৪%’র লভ্যাংশও কি আমরা পাব?
এবার আসি ১০% কর্তনের ফলে সমস্যা কোথায়?
উদাহরণ দিয়ে বলি, আমি একজন সহকারী অধ্যাপক। ২০১৫ সালের বেতনস্কেলের নিয়ম অনুযায়ী আমার বর্তমান বেতন পর্যায়ক্রমে হতো: গ্রেড ০৬ (সহকারী অধ্যাপক) 35500-37280-39150-41110…..। অথচ এখনো তা হয়নি।শুধু অল্প কিছুদিন হলো যুক্ত হয়েছে ৫%।এখন যদি নতুন করে বর্ধিত হারে কর্তন হয়, তবে আমার বেতন স্থিত হয়ে থাকবে আগে যা ছিল প্রায় তা-ই হিসেবে। আবার যদি ৩৫৫০০ টাকা বেতনস্কেল থেকে ১০% কর্তন হয়, তবে মাসে ৩৫৫০ কর্তন হবে, ফলে বছরে আমার বেতন থেকে যাবে অন্ততঃ ৪২,৬০০ টাকা! এপরিমাণটি, আমার একমাসে প্রাপ্ত মোট বেতনের চেয়ে বেশি।উল্লেখ্য ৫% বৃদ্ধির আগে আমি সর্বসাকুল্যে পেতাম ৩৪,৮৭০ টাকা আর ৫% বৃদ্ধির পর পেয়েছি ৩৬,৫৩৭ টাকা, অন্যদিকে নতুন করে ৪% কর্তিত হলে এটাকার অঙ্কটাও ঠিক থাকবে না।
আমাকে আয়কর দিতে হয়।দেশে বিদ্যমান কাঠামো অনুযায়ী নূনঃতম আয়কর ৩০০০ টাকা, আরো অন্যান্য প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বছরে আমার অন্ততঃ ৫০,০০০ টাকা চলে যাবে সরকারের ঘরে, (কল্যাণ-অবসরের চাঁদা অন্ততঃ ৪২,৬০০+ আয়কর অন্ততঃ ৩০০০+অন্যান্য….) যা আমার একমাসে সর্বসাকুল্যে প্রাপ্ত বেতনের চেয়ে অনেক অনেক বেশি! আর এমনটাই সবার ক্ষেত্রেই ঘটবে!!
এমপিওভুক্ত একজন স্কুল শিক্ষকের বেতন যথাক্রমে গ্রেড ১০ (প্রশিক্ষিত স্কুল শিক্ষকের সূচনা বেতন) 16000, গ্রেড ১১ (অপ্রশিক্ষিত স্কুল শিক্ষকের সূচনা বেতন) 12500 টাকা। এখান থেকেও যখন ১০% কেটে রাখা হবে তখন ঐস্কুল শিক্ষক একমাসে সর্বসাকুল্যে প্রাপ্ত বেতনে তার দৈনন্দিন প্রয়োজনের কত শতাংশ অপূর্ণ থাকবে? ভেবে দেখা প্রয়োজন।যদি একটি আদর্শ পরিবারের সদস্য সংখ্যা হয় ছয় জন, তবে ঐপরিবারে মাথাপিছু দৈনিক কতো টাকা ভাগে পরবে?
কেননা, ১০% কর্তনের নির্দেশনার ফলে আমরা এমপিওভুক্তগণ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবো। এব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা জানি, শিক্ষক দরদী প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার সব উদ্যোগ বৃহত্তর শিক্ষক সমাজের মঙ্গলচিন্তায় নিবেদিত। তাঁর উন্নয়নের মহাসড়কে বড়ই বেমানান শোনাবে যদি লাখ লাখ এমপিওভুক্তের অন্তর গুমড়ে কেঁদে ওঠে:
“আমি যেন সেই ভাগ্যাহত বাতিওয়ালা
পথে পথে আলো দিয়ে বেড়াই
কিন্তু নিজের জীবনেই অন্ধকার মালা”।
(‘তালেব মাস্টার’: আশরাফ সিদ্দিকী)
১৯৬৬ প্যারিস সন্মেলনে ১৩ টি অধ্যায় ও ১৪৬ টি ধারা-উপধারায় শিক্ষকের মর্যাদা ও অধিকারের জন্য প্রণীত সুপারিশে শিক্ষকের চিকিৎসা- স্বাস্থ্যসেবা, ছুটি বেতন-ভাতা ও মর্যাদার ক্ষেত্রে বলা আছে (ক) সম্মানজনক পারিতোষিক নিশ্চিতকরণ (খ) যুক্তি সংগত জীবনমান বিধানকল্পে সুবিধাদি নিশ্চিতকরণ (গ) স্কেল অনুযায়ী নিয়মিত বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তির নিশ্চয়তা (ঘ) জীবনধারণের ব্যয়বৃদ্ধির সঙ্গে বেতন কাঠামো পূণঃবিন্যাস ও বর্ধিতবেতন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা ইত্যাদি।
‘মানুষ গড়ার কারিগর’দের জীবনমান অনুন্নত থাকলে, কারিগরকে অভূক্ত, অবহেলিত রাখলে জাতি হয়ে ওঠবে অবনমিত ও নি¤œগামী। এমন বাস্তবতায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে এখন সুসংবাদের অপেক্ষায় বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীগণ। শিক্ষা মানুষের মৌলিকাধিকার। ‘শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। জাতিকে খাড়া-সোঝা রাখার দায়িত্ব পালন করেন ‘মানুষ গড়ার কারিগর’ অর্থাৎ ‘শিক্ষক’। অথচ দেশের অভিন্ন সিলেবাসে পাঠদানকারী প্রায় শতভাগ বেসরকারি শিক্ষক নানান বঞ্চনা শিকার। এ অবস্থার কারণেই সব চেষ্টা, সব উদ্দোগ পায় না প্রকৃত গতি।
শুশুধু কী তা-ই? দূঃখজনক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে তিনশতাধিক কলেজ ও অসংখ্য স্কুল একযোগে জাতীয়করণের ঘোষণায়। অল্প কিছুদিন আগেও যে স্কুল-কলেজগুলো ছিল বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত, সমযোগ্যতা ও সমান সুবিধাভোগী ঐসব স্কুল-কলেজের ভাগ্যবানেরা হয়ে ওঠলেন অচেনা ভূবনের বাসিন্দা। কারণ, জাতীয়করণে তাদের ভাগ্য হয়েছে সুপ্রসন্ন। তখন বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত সামগ্রিকভাবে বঞ্চিত সবাই মানসিক লাঞ্ছনাবোধ করা কি অস্বাভাবিক? বরং অনেকের বিষণ্ন ভাবনা-কান্না সবই যেন এখন ব্যর্থ, ভুল ও নিরব হাহাকার।
যদি জানতে চাওয়া হয়-
(ক) কোনো পেশায় কি সবাই একই হারে বাড়িভাড়া পায়?
(খ) কোনো পেশায় কি কেউ চারটি উৎসবে একটি উৎসবভাতা পায়?
(গ) কোনো পেশায় কি পদোন্নতি নেই?
(ঘ) কোনো পেশায় কি বদলী নেই, দেওয়া হয় না পূর্ণাঙ্গ মেডিকেলভাতা?
(ঙ) কোনো পেশায় কি সরকারের তহবিল থেকে জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতনের পরিবর্তে ‘অনুদান’ সুবিধা দেওয়া হয়?
তবে উত্তর হলো, এমপিওভুক্ত নিরিহ বেসরকারি শিক্ষকগণই এমন গর্বিত পেশার মাধ্যমেই জ্ঞানের প্রদ্বীপ জ্বেলে যাচ্ছেন। এজন্যই প্রয়োজন, সর্বজন স্বীকৃত বাস্তব আকাঙ্ক্ষা শিক্ষা জাতীয়করণের বাস্তবায়ন।
পরিশেষে বলি- আমার লেখা প্রকাশিত হলে অনেকেই আমাকে সমবেদনা জানান, কেউ কেউ টিপ্পনি কাটেন। আবার অনেক অতি-ব্যক্তিত্ববাদী সুখী ও শখের পেশাজীবী শিক্ষকবন্ধু বিব্রতবোধ করেন। আসলে সব সত্য যে বলতে নেই! তবে আমি অকপটে সত্যকথা লিখে গেলেও ক্ষতি? নন-এমপিওরা তাদের কথা লিখতে বলেন, অনার্সের শিক্ষকরাও চান তাদের ব্যাপারে খবর জানতে। অথচ আমি কারো জন্য সুসংবাদ দিতে পারি না। তা-ই তো অনেকের কাছে আমার লেখাগুলো, কুমির নিয়ে বহুল প্রচলিত গল্পের মতো মনে হয়!!!
লেখক: সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ইসলামিক স্টাডিজ কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ কাপাসিয়া গাজীপুর
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
