এইমাত্র পাওয়া

কুকুটিয়া কে, কে, ইনস্টিটিউশনে জাতীয় শোক দিবস পালিত

নিউজ ডেস্ক।।
কুকুটিয়া কে, কে, ইনস্টিটিউশনে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়।
প্রথমে পবিত্র কুরআন থেকে  তেলাওয়াত করে শুরু করা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকী।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনআদর্শ নিয়ে আলোচনা, কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে ছাত্র- ছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশ করে।
ছাত্র -ছাত্রীদের স্লোগান ছিল -” কে বলেছে মুজিব নাই, মুজিব সারা বাংলায়”
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত  বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় আজ পালিত হলো কুকুটিয়া কে, কে, ইনস্টিটিউশনে।
স্বাধীনতার অগ্রদ্রুত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনআদর্শ তুলে ধরা হয় ছাত্র -ছাত্রীদের মাঝে। ছাত্র -ছাত্রীরা জীবনআদর্শ শুনে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ে। ছাত্র- ছাত্রীরা মুজিব আদর্শে নিজেকে গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্মরণ করা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহসী নেতৃত্বের ভূমিকা। তিনি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি।শিশু কাল থেকেই তিনি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন। অন্যায় দেখলেই তিনি প্রতিবাদের ঝড় তুলতেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরাধীনতার গ্লানি থেকে দেশকে মুক্ত করতে কখনো পিছিয়ে আসেননি তিনি। প্রতিটি মুহূর্তে তিনি দিয়েছিলেন বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। তিনি কখনো জেল জুলুমের ভয় করতেন না। ফাঁসির ভয় করতেন না। তিনি তার জীবনের মহামূল্যবান সময়টুকু কারাবন্দী ছিলেন। তবু্ও তিনি হার মানেননি। পরাজয় বরণ করেননি। ছিনিয়ে এনে ছিলেন দেশের স্বাধীনতা।জয় করেছিলেন মাতৃভাষা বাংলাকে। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে গর্ববোধ করি তাও সেই নেতার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে। যার একটি ডাকে সমগ্র বাঙালি জাতি দেশকে স্বাধীন করার জন্য মুক্তি যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল তিনি হলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই মহান নেতার জন্ম না হলে আমরা বাংলাদেশ নামক ভূ-খণ্ড আজও অর্জন করতে পারতাম কিনা তা আমার জানা নেই। মুজিব শব্দটি আমাদের অহংকার, গর্ব যা কখনো ভুলবার নয়।
যতদিন থাকবে পদ্মা, মেঘনা,যমুনা ততদিন থাকবে বাঙালি জাতির অন্তরে বঙ্গবন্ধুর নাম।

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.