এইমাত্র পাওয়া

গ্রেপ্তার শিক্ষক মো. ইব্রাহিম,আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

অনলাইন ডেস্ক :

আশুলিয়ায় একটি মাদ্রাসায় দুই শিশু শিক্ষার্থীকে হাত-পা বেঁধে নির্মমভাবে পেটানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার শিক্ষক মো. ইব্রাহিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বুধবার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে আশুলিয়ার জাবালে নূর মাদ্রাসার শিক্ষক মো. ইব্রাহিম (৩৫) জবানবন্দি দেন। আদালত পুলিশের কর্মকর্তা এসআই আতিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসান তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে ওই মাদ্রাসা শিক্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই কওমি মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম (১৩) ও মাহফুজুর রহমানকে (১৩) বেত দিয়ে পেটায় শিক্ষক হাফেজ মোহাম্মদ ইব্রাহিম। পিটুনির সেই ফুটেজ ফেসবুকে ভাইরাল হলে তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

জানা যায়, নির্যাতিত শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল ও অপর শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমানের বাড়ি ঝালকাঠি সদর জেলার দেউলকাঠি গ্রামে।

নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান জানায়, তার সহপাঠী শরিফুল নির্যাতন সইতে না পেরে পালিয়ে যায়। পরে তাকে খুঁজে নিয়ে এসে মাদ্রাসার ভেতর হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালায় শিক্ষক ইব্রাহিম। এসময় শরিফুলকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে তাকেও বেত্রাঘাত করে জখম করেন ওই শিক্ষক।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার আশুলিয়া থানায় মামলা দায়েরের পর সন্ধ্যায় শ্রীপুরের নতুননগর মথনেরটেক এলাকা থেকে শিক্ষক ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জবানবন্দিতে শিক্ষক ইব্রাহিম বলেন, মির্জাপুরের ওই শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে পালাতে চেয়েছিল। আর ঝালকাঠির ছেলেটি তাকে পালাতে সাহায্য করেছিল। সে কারণে মির্জাপুরের ছেলেটির হাত-পা বেঁধে মারধরের পর ঝালকাঠির ছেলেটিকেও মারধর করেন তিনি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.