এইমাত্র পাওয়া

চালু হচ্ছে আরও ৮৪ ট্রেন

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর কয়েক ধাপে চালু হচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেন। এবার তিন ধাপে পর্যায়ক্রমে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিভিন্ন রুটে আরও ৮৪টি কমিউটার, মেইল, এক্সপ্রেস এবং লোকাল ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ রেলওয়ে উপপরিচালক (ট্রাফিক ট্রান্সপোর্টেশন) মো. খায়রুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রথম ধাপে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে চলবে, চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, আখাউড়া-ঢাকা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা-আখাউড়া রুটে তিতাস কমিউটার, ঢাকা-জয়দেবপুর-ঢাকা রুটে তুরাগ কমিউটার, নারায়ণগঞ্জ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে লোকাল ট্রেন।

দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে চলবে, চট্টগ্রাম-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে জালালাবাদ এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটে সুরমা মেইল, নোয়াখালী-ঢাকা-নোয়াখালী রুটে নোয়াখালী এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-চট্টগ্রাম রুটে ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটে ভাওয়াল এক্সপ্রেস, ময়মনসিংহ-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ময়মনসিংহ রুটে ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস, চাঁদপুর-লাকসাম-চাঁদপুর রুটে চাঁদপুর কমিউটার, নোয়াখালী-লাকসাম-নোয়াখালীর রুটে নোয়াখালী কমিউটার।

তৃতীয় ধাপে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে যেসব ট্রেন চলবে সেগুলো হলো, চট্টগ্রাম-নাজিরহাট-চট্টগ্রাম রুটে নাজিরহাট কমিউটার, চট্টগ্রাম-দোহাজারী-চট্টগ্রাম রুটে লোকাল ট্রেন, মোহনগঞ্জ-ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে লোকাল ট্রেন, ঝারিয়া ঝাঞ্জাইল- ময়মনসিংহ-ঝারিয়া ঝাঞ্জাইল রুটে লোকাল ট্রেন, সান্তাহার-বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশন-সান্তাহার রুটে উত্তরবঙ্গ মেইল, পার্বতীপুর-বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশন পার্বতীপুর রুটে কাঞ্চন কমিউটার, লালমনিরহাট-বিরল-লালমনিরহাট রুটে দিনাজপুর কমিউটার, লালমনিরহাট-বুড়িমারী-লালমনিরহাট রুটে বুড়িমারী কমিউটার, কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম রুটি কুড়িগ্রাম মেইল, রাজবাড়ী-ভাঙ্গা-রাজবাড়ী রুটে রাজবাড়ী এক্সপ্রেস, রাজবাড়ী-ভাটিয়াপাড়া-রাজবাড়ী রুটে ভাটিয়াপাড়া এক্সপ্রেস।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যাত্রীদের সামাজিক ও শারীরিক দূরত্বও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোচের ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রয় করতে হবে। এছাড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জারিকৃত নির্দেশনাসমূহ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন পরিচালনা করতে হবে।

গত ৩১ মে প্রথম দফায় আট জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হয়। ৩ জুন দ্বিতীয় দফায় আরও ১১ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন বাড়ানো হয়। তবে কিছুদিন পর যাত্রী সংকটে দুই জোড়া ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। তারপর তৃতীয় দফায় ১৬ আগস্ট চালু হয় আরও ১৩ জোড়া ট্রেন। ২৭ আগস্ট থেকে চতুর্থ দফায় ১৯ জোড়া ট্রেন চালু হয়েছে এবং সর্বশেষ ৫ সেপ্টেম্বর আরও ১৯ জোড়া ট্রেন যুক্ত হয়েছে ট্রেনের বহরে। বর্তমানে সব মিলিয়ে মোট ৬৭ জোড়া, অর্থাৎ ১৩৪টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করছে বিভিন্ন রুটে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.