এইমাত্র পাওয়া

নাটোরে অগ্নিকান্ডে হাফেজিয়া মাদ্রাসা পুড়ে ৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মোঃ মাহমুদুল হাসান (মুক্তা), নাটোরঃ

নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী বাঙ্গালখলসী মদিনাতুল উলুম হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার ৫ টি টিনের ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। ০৫ আগস্ট বুধবার দুপুর তিনটার দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার বাঙ্গাল খলসী মদিনাতুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সারা বছরের জন্য সংরক্ষণ করা ধান, চাল, পেঁয়াজ, রসুনসহ আসবারপত্র পুড়ে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। কিভাবে আগুন লাগে তা সঠিকভাবে জানাতে না পারলেও বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

ঈদের ছুটিতে মাদ্রসা বন্ধ থাকায় কোন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হতাহত হয়নি। এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর তিনটার দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার বাঙ্গাল খলসী মদিনাতুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় হঠাৎ আগুন লেগে চারদিক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী ঘন্টাব্যাপি চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এর মধ্যে আগুনে মাদ্রাসার ৫ টি ঘরের টিন, ঘরের আসবারপত্র, শিক্ষার্থীদের সারা বছরের সংরক্ষণ করা ধান, চাল, পেঁয়াজ, রসুন, বই পত্র পুড়ে ছাই হয়। তবে মহাগ্রন্থ আল কুরআন অক্ষত ছিল।

অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে তৎখনাত ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান নলডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্রহ্মপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বাবু। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম জানান, বৈদ্যুর্তিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে মাদ্রাসার ৫ টি টিনের ঘরের সব আসবারপত্র, বইপত্র ও শিক্ষার্থীদের জন্য সারা বছরের সংরক্ষণ করা ধান, চাল ও পেঁয়াজ পুড়ে যায়।

এতে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেন । নলডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ ও ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আমার অগ্নিকান্ডের ঘটনা জানার পর তৎখনাৎ সেখানে গিয়ে দেখেছি। ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসায় সরকারী সহায়তা দেওয়া হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.