সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন উচ্চধাপে নির্ধারণ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরারবর এ চিঠি দেওয়া হয়েছে। এতে সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক তাদের সমস্যা সমাধানে আশার আলো দেখছেন।
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম আরা নাজনীন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম ও প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বর্তমান মূল বেতনের নিন্ম ধাপে বেতন নির্ধারণের কারণে অনেক শিক্ষকের বেতন কমে যাচ্ছে। এতে তারা বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছেন। সে কারণে মাঠ পর্যায়ে বেতন ফিক্সেশন হচ্ছে না।
চিঠিতে বলা হয়, সারাদেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। বেতন স্কেল উন্নীতকরণ সরকারের একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হওয়া সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মাঝে হতাশা এবং অসন্তোষ বিরাজ করছে। ফলে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হওয়ার পরিবর্তে ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন কানুনগো ও উপসহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার পদধারীদের উন্নীত বেতন নির্ধারণে এরূপ সমস্যায় তাদের সংশ্লিষ্ট স্কেলের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করে বৈষম্য নিরসনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন উচ্চধাপে নির্ধারণের জন্য চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৬ জুলাই সমকালে ‘বেতন কমার শঙ্কায় প্রাথমিকের সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক’ -শিরোনামে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডের উচ্চধাপে নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব পাঠানো হলো।
এই বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘শিক্ষকদের ফিক্সেশন জটিলতা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আশাকরি খুব দ্রুত সমস্যাটি সমাধান হবে।’-সূত্রঃসমকাল
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
