এইমাত্র পাওয়া

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির অর্থ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন

বরাবর
দেশরত্ম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাঁও,ঢাকা।

বিষয়: ২০-২১অর্থ বছরে বাদপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন।

করোনা ভাইরাসের কারণে জনজীবন আজ হুমকির মুখে।দীর্ঘ সময় মানুষের মধ্যে কর্ম না থাকায় নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে আর্থিক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।সরকারের পক্ষ থেকে এই অনিশ্চয়তা দূর করতে নেওয়া হয়েছে নানান প্রচেষ্টা কখনো প্রণোদনা , কখনো খাদ্য সহায়তা, কখনো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তায় ভুক্ত ভোগীর মোবাইলে টাকা পৌঁছনো নিশ্চিত করা। এমন পরিস্থিতিতে সবচে প্রশংসিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি করোনা মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন যাপন করছেন সরকারি বেতন ছাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা । সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী তরফ থেকে কিছু না কিছু জোঁটলেও , এখনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কপালে জোঁটনি কোন কিছু। অথচ আর কদিন পর ঈদ-উল- ফিতর। দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষকতা করলেও আজও মেলেনি তাদের ঘরে ঈদের আনন্দ। প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রণোদনা আবেদন করেও এখন পর্যন্ত জোঁটেনি প্রণোদনা। তাই আগামী বাজেটে এই বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কাছে। সরকারের এই বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করতে কত টাকা লাগবে তাও তুলে ধরেছেন তারা।

জাতীয় প্রে-স্কেলে ২০১৫ জাতীকরণ থেকে বাদপড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের জন্য সরকারকে কত টাকা বরাদ্দ দিতে হবে তার ও পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তারা।
১। মুল বেতন- ৯৭০০/-
২। বাড়ি ভাড়া- ৪৮৫০/-
৩। চিকিৎসা ভাতা- ১৫০০/-
৪। টিফিন ভাতা- ২০০/-
মোট: ১৬২৫০/-
**। কল্যাণ কর্তন (-) ৫০/-
মোট: ১৬২০০/-একজন শিক্ষকের।
১৬২০০ টাকা  ১২ = ১৯৪৪০০  ১৬৬৩৬ জন শিক্ষক = ৩২৩৪০৩৮৪০০/-
২।নবর্বষ উৎসব ভাতা: ১জন শিক্ষক-১৯৪০ টাকা  ১৬৬৩৬ = ৩২২৭৩৮৪০/-
৩। ২ ঈদের উৎসব ভাতা: ৯৭০০  ২ = ১৯৪০০  ১৬৬৩৬ জন শিক্ষক = ৩২২৭৩৮৪০০/-

১। মুল বেতন: ৩২৩৪০৩৮৪০০/-
২। নবর্বষ ভাতা: + ৩২২৭৩৮৪০/-
৩। ২ ঈদের উৎসব ভাতা:+ ৩২২৭৩৮৪০০/-
মোট= ৩৫৮ কোটি, ৯০ লক্ষ, ৫০ হাজার, ৬৪০ টাকা মাত্র।
শিক্ষকদের দাবি করোনা মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি অসহায় জীবন যাপন করছেন তারা। সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা বা অনুদান না থাকায় মা- বাবা ,স্ত্রী ,সন্তান ,ভাই বোন ,নিয়ে বিপাকে পড়েছে তারা।
শিক্ষকতা পেশাকে মহান পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ায় কোথাও হাত পাততে পারছেন তাঁরা । তাই অনেক সময় অর্ধাহারে অনাহারে থাকতে হয় এই মহান পেশার লোকদের। তাই এই অর্থ বছরে তাদের বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছেন তারা।

নিবেদক
মোঃ মামুনুর রশিদ খোকন
সভাপতি
আ.স.ম জাফর ইকবাল
মহাসচিব
মোঃ ফিরোজ উদ্দিন
সাংগঠনিক সম্পাদক
বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, ঢাকা।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.