নিউজ ডেস্ক।।
দেশের আরও একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল যমুনা টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে ওই চ্যানেলের একাধিক সাংবাদিক জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ওই সাংবাদিকের শ্বশুরও করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ওই পরিবারের আরও সদস্য কোভিড-১৯ রোগে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন আশঙ্কায় তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তারা যে ভবনে থাকেন সেখানে একটি ফ্ল্যাটে ইতালিফেরত এক প্রবাসী থাকেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চ্যানেলটির এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, করোনায় আক্রান্ত ওই সিনিয়র রিপোর্টার সর্বশেষ ৬ এপ্রিল অফিসে এসেছিলেন। ওই জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আক্রান্ত হওয়ার পর যমুনা টিভির ৩৪ জন কর্মীকে কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়েছে ওই টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ।
যমুনা টেলিভিশনের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল জানান, ওই সাংবাদিকসহ তার পরিবারের আরও তিনজনের মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ পাওয়া গিয়েছিল। পরে নমুনা পরীক্ষার পর তিনি এবং তার শ্বশুর কোভিড-১৯ আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। শুক্রবার পরিবারের বাকি সদস্যদের নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের একজন ক্যামেরাপারসন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। এক ভিডিও বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এম. শামসুর রহমান।
এম শামসুর রহমান বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের এক সহকর্মী, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন পরিবারের সদস্য কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত। উনি ২৫ ও ২৬ তারিখ শেষবার ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন অফিসে কর্মরত ছিলেন। রাতে উনার সিম্পটম গ্রো করায় উনি আমাদেরকে জানান অফিসে আসতে পারবেন না এবং উনি সেল্ফ আইসোলেশনে ছিলেন। দুদিন আগে উনি আইইডিসিআরের হটলাইনে যোগাযোগ করেন এবং উনার স্যাম্পল নিয়ে টেস্ট শেষে রেজাল্ট আসে এবং যেটা আনফরচুনেটলি পজিটিভ ছিল।’
ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সিইও বলেন, ‘আমরা ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের পক্ষ থেকে সব সহযোগিতা উনাকে করছি। আইইডিসিআরের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ডিরেক্টরের সঙ্গে কথা বলেছি এবং উনার সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন-৪৭ জনের তালিকা তৈরি করেছি এবং আমাদের সেই ৪৭ জন সহকর্মীকে আমরা সেল্ফ আইসোলেশনে পাঠিয়েছি। সো ২৬ তারিখ থেকে যদি আমরা হিসাব করি তার পাঁচদিনে আর আমাদের সহকর্মীদের সিম্পটম শো না করা, তার মানে আর কেউ সংক্রমিত হয়নি।’
শেষে তিনি বলেন, ‘আমি আমার কলিগের সঙ্গে কথা বলেছি তিনি রিকভারি করছেন।’
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
