আমার ৮ বছরের মেয়ে বর্তমানে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়ে। সে নার্সারি পরীক্ষা দিয়ে পাস করার পর তাকে আবার ৭ হাজার টাকা দিয়ে কেজিতে ভর্তি করতে হয়েছে। ২৫০০ টাকার বই-খাতা, বিভিন্ন রঙের কাগজ, হ্যান্ডওয়াশ, টয়লেট পেপার, ন্যাপকিন টিস্যু কিনতে হয়েছে এবং মাসিক বেতন ১১০০ টাকা।
বইয়ের বোঝা দেখে অবাক হয়ে যাই। যেখানে সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে দু-তিনটি বই পড়তে হয়, সেখানে প্রথম শ্রেণিতে ওঠার আগেই কিন্ডারগার্টেন স্কুলে কেজিতে ৮/৯টি বই পড়তে হচ্ছে! আমার মেয়ে স্কুলের হোমওয়ার্ক করতে গিয়ে অস্থির ও অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। আমি আমার মেয়েকে কিন্ডারগার্টেনে আর না পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই বয়সে এত পড়ার চাপ দিয়ে তার শৈশব আমি নষ্ট করতে চাই না।
প্লে থেকে কেজি পর্যন্ত শিশুদের বাংলা, ইংরেজি ও অঙ্ক—এই তিনটি বই পড়ানো হলে এতে একদিকে যেমন কোমলমতি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের স্বাভাবিকতা অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে অতিরিক্ত বইয়ের তালিকা দিয়ে এক শ্রেণির বই বিক্রেতা এবং কিন্ডারগার্টেনের মালিকদের পয়সা কামানোর পথ বন্ধ হবে। বিষয়টির প্রতি ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. সোয়েব মেজবাহউদ্দিন
মোহাম্মদপুর, ঢাকা
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
