নিউজ ডেস্ক।।
জোট বেঁধে নির্বাচন করছে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। কিন্তু চট্টগ্রামে জোটের মধ্যেই দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। ফলে জোটের সমর্থন পেয়েও বিপাকে পড়েছে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক দল এনসিপি। চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে শুধু চট্টগ্রাম-৮ আসনটি এনসিপিকে ছেড়ে দেয় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১-দলীয় জোট। কিন্তু জোট থেকে আসনটি এনসিপিকে ছাড়লেও বহাল রয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী। ভোটের মাঠে না থাকার ঘোষণা না দিলেও চলছে প্রচার ও গণসংযোগ। বিষয়টিকে এনসিপি বলছে, কথা দিয়ে কথা রাখছে না জামায়াত। বহিষ্কারও করেছে প্রার্থীকে। তবে এ আসনে জোটের প্রার্থী এনসিপি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জোট সমর্থন দিলেও অনড় স্থানীয় জামায়াত। ফলে কেন্দ্রীয় জামায়াতের কমান্ড মানছেন না স্থানীয় দায়িত্বশীলরা। ফলে আসনটিতে বিএনপির সঙ্গে লড়াই হবে জামায়াতের। জোটের প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে থাকবেন জামায়াতের প্রার্থীই।
এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, জামায়াতে ইসলামী কথা দিয়ে কথা রাখছে না। এ আসনটি ১১-দলীয় জোট থেকে আমাদের ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জোটগত সিদ্ধান্ত মানছেন না। আমরা জানতাম জামায়াতের মধ্যে একটা চেইন অব কমান্ড আছে, কিন্তু সেটা এখন দেখছি না। তাদের প্রার্থী সরব থাকার বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। তাদের দাবি, উনি নাকি দলীয় সিদ্ধান্তও মানছেন না। দলীয় সিদ্ধান্ত না মানলে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বলেছি। জামায়াত থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এ আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী আমি, এটাই চূড়ান্ত।
জামায়াতের প্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের গণমাধ্যমকে বলেন, ১১-দলীয় জোটের সিদ্ধান্তের কারণে আমি আট দিন কোনো প্রচারে বের হইনি। বাসাতেই ছিলাম। কিন্তু বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে কাজ করা সাধারণ মানুষ আমাকে বাসা থেকে বের করে এনেছে। এখন আমার উপায় কী? আমি এই জনপদ ছেড়ে তো আর চলে যেতে পারব না। তাদের মায়া আমি কী করে ত্যাগ করব? আমাকে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য করছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
