ঢাকা: টানা দুই বছরের দীর্ঘ বিরতির পর বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গত ১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) শেষ হয়েছে। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে দেশের মোট ৩ হাজার ৬১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জমা দিয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় এখন শুরু হচ্ছে তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। এজন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন:
শিক্ষা মন্ত্রণালয়: ৫ জন কর্মকর্তা।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি): ১ জন কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস): ১ জন কর্মকর্তা।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কমিটি খুব দ্রুতই সভায় বসবে। আবেদনকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া তথ্য যাচাই শেষে একটি গ্রেডিং পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে। যেসব আবেদন সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ পাওয়া যাবে, সেগুলোই কেবল পরবর্তী ধাপের জন্য নির্বাচিত হবে। তবে কোনো আবেদনে অসঙ্গতি থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য আপিল শুনানির সুযোগ রাখা হয়েছে।
যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ফাণ্ড বা অর্থায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন:
শুরুতে যোগ্যতার ভিত্তিতে কিছু প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেওয়া হতে পারে।
পরবর্তীতে ধাপে ধাপে শতভাগ এমপিওভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
পুরো প্রক্রিয়াটি নির্ভর করবে আবেদনকারীদের শর্ত পূরণের ওপর।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে কি না—এমন প্রশ্নে এক কর্মকর্তা জানান, এমপিওভুক্তির জন্য গঠিত কমিটি নিয়মিত তাদের কাজ চালিয়ে যাবে। যেহেতু আবেদনের সময় আর বাড়ানো হয়নি, তাই এখন মূল ফোকাস থাকবে জমা পড়া আবেদনগুলোর নিখুঁত যাচাই-বাছাইয়ের ওপর।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
