এইমাত্র পাওয়া

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলসহ ৪ দাবি এনসিপির

নিউজ ডেস্ক।। 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নানা অনিয়মের অভিযোগে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নফাঁসসহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এই পরিস্থিতিতে এনসিপি চার দফা দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো— প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে ওঠা সব অভিযোগের নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত করতে হবে; তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না; প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের ন্যূনতম সত্যতা মিললে পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নিতে হবে এবং প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় এনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব থেকে বাদ দিতে হবে।

এনসিপি সতর্ক করে জানায়, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পরও যদি মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের অবহেলা বা উদাসীনতা দেখা যায়, তাহলে দলটি চাকরি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে নামবে এবং ন্যায্য দাবি আদায়ে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এর আগেও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিস সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছিল। একের পর এক এমন অনিয়ম ও জালিয়াতি তরুণ ও মেধাবী চাকরিপ্রার্থীদের স্বপ্ন, সততা ও ভবিষ্যতের ওপর নির্মম আঘাত।

এনসিপি উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান শুরু হয়েছিল চাকরি ব্যবস্থায় বৈষম্য, অনিয়ম ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থীদের সরাসরি প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা ছিল— চাকরি পরীক্ষায় সব ধরনের অনিয়ম দূর করে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.